হ্যাকিং-ব্যাকিং-ক্রাকিং

প্রকাশিতঃ মার্চ ২১, ২০১৬ আপডেটঃ ৩:০২ অপরাহ্ন

ক্ষুদ্র ঋণ জোগানদারি এনজিওগুলোর একটা বাস্তবসম্মত কর্মপদ্ধতি হচ্ছে, গ্রহিতা ঋণ নিয়ে গ্রহিতা যে খাতে ব্যবহার করবেন সে বিষয়ে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিয়ে দেয়। এতে সম্ভাব্য খাতে কিছুটা হলেও দক্ষতা আয়ত্ব হয়। ফলে, লোকসান গোনার শংকা কম থাকে। এনজিওরা তাদের স্বার্থেই (অর্থ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা) স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ দিয়ে তবে টাকা ছাড় করে। এই প্রাকটিসকে সন্দেহাতীতভাবে ভালই বলতে হবে। বর্তমান নিবন্ধের ভুমিকায় এই কথা উত্থাপনের প্রাসঙ্গিকতা এটি পাঠে অনুধাবন করা যাবে। বর্তমান সরকার প্রথম মেয়াদে গদিনসীন হবার পর থেকে দুটো শব্দ ব্যাপকাকারে বুঝে-না-বুঝেই আওড়ানো শুরু হয়। বলাবাহুল্য, শব্দদ্বয় হল- ‘ডিজিট্যাঁল বাংলাদেশ’। অনেক সমালোচক বলেন, বিশেষ উদ্দেশ্য সামনে রেখে শ্লোগানাকারে এই জোড়া শব্দের চল চলে। কাউকে বা কোন প্রতিষ্ঠানকে সম্মুখে স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশকে এই বিশেষ দিকে ধাবিত করার মহতি আকাঙ্ক্ষা প্রণোদনা যুগিয়েছে এ ক্ষেত্রে। নিন্দুক বা দুর্জন সমালোচকবৃন্দ যে যা-ই বলুক তাতে কিছু এসে যায়নি। তড়িঘড়ি একাজে অগ্রসর হওয়াটা দাঁড়িয়েছে ঘোড়ার আগে গাড়ী জুড়ে দেওয়ার মত। এর ফলে ভয়ানক রকমের একটা উল্লম্ফন ঘটে গেছে সমাজে ও রাষ্ট্রে। অপরিচিত নিতান্তই অজ্ঞাত একটা বিপজ্জনক পথে পা রেখে এগোতে থাকলে যেমন খেই হারিয়ে ফেলার প্রচুর সম্ভাবনা বেপথু করে তেমনি এক অবস্থার মোকাবেলায় নেমেছি আমরা।

হাইটেক প্রযুক্তি যেমন আমাদের অনেক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত করেছে তেমনি এর পেছনের দুয়ারগুলো সম্পর্কে অনবহিত থাকার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে কালো হাতের থাবা ক্ষত করেছে আমাদের খোদ রাষ্ট্রযন্ত্রকে। পুর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণবিহীন ডিজিটালাইজেশনের হুজুগে ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে-বিদেশে আস্থা সংকটে পতিত হয়েছে। সকল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে আমাদের আর্থিক খাতের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে আশাতীত রিজার্ভ সংগ্রহ করেছে। বিগত কয়েক বছরে জনগণের ব্যাংক জনসাধারণের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে স্থাপন করার নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সাধ্যমত প্রয়াসে নিয়োজিত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য ব্যাংকিং সেবায় আত্মনিয়োজিত হবার বিভিন্নমুখী সুযোগ মেলে ধরেছে। গত শতকের শেষপাদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন খ্যাতিমান জনপ্রিয় ব্যাংকার লুৎফর রহমান সরকার। একদা তিনি বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসমূহ কেবল মুনাফা করবে না, জনকল্যাণমূলক কাজেও ব্রতী হবে। এর নমুনা হিসেবে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা বেকার যুবকদের জন্য বিকল্প (বিশ্ববিদ্যালয় কর্মসংস্থান প্রকল্প) নামে একটি প্রকল্প চালু করেছিলেন। এছাড়া আরও কিছু সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছিলেন। এগুলো সেসময় বেশ সাড়া ফেলেছিল এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

হালে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই পথ অনুসরণ করে কৃষক ও সমাজের আর দশটি পেশায় নিয়োজিত সুবিধা-বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তৎপর হয়ে উঠেছিল। গ্রিন ব্যাংকিং, কৃষক ও যুব বয়সী ছাত্রদের জন্য ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতায় কৃষক সমাজকে হিরো সম্বোধন করে সম্মান করার আহবান, ২৮ হাজার বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ, কৃষকের জন্য ৮০০ কোটি টাকার ঋণ তহবিল গঠন করে তা গরীব কৃষকের হাতে পৌঁছে দেয়া, সেফটি নেটের টাকা, বয়স্ক ভাতা,  মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এবং কয়েক লক্ষ বেকারের কথা চিন্তা করে বিনা পয়সায় ব্যাংকে চাকুরির আবেদন ইত্যাদি মানবিক কাজের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রাখাল বালক থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে গভর্নর, তাইতো বুঝেছেন গরীবের কথা, বেকারের কথা, দেশের কথা। আর হতে পেরেছেন একজন নন ট্র্যাডিশনাল গভর্নর।

ইত্যকার জনকল্যণকামী মানবিক ব্যাংক হয়ে ওঠার প্রয়াস আমরা মুগ্ধ দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছি। আমাদের দেশে সনাতন রীতির উপরে উঠে যখুনি কোনো কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে, তখুনি অপ্রস্তুত সমাজ বা রাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে সরগরম হয়ে ওঠে, বেকায়দা আক্রমণে পরাভূত করার প্রয়াস পায়। লুৎফর রহমান সরকারকে জেল খাটতে হয়েছিল। অতি সম্প্রতি ড. আতিউর রহমানকে কথিত ‘কলঙ্ক’র বোঝা নিয়ে সরে যেতে হল। একথা বলতেই হয়, আতিউর রহমানও সাত তাড়াতাড়ি ডিজিটালাইজেশনের হুজুগে কিছুটা হলেও প্রভাবিত হয়েছিলেন। নতুবা ফাঁক-ফোকরগুলো সম্পর্কে সতর্ক হবেন না কেন! এই অসতর্কতাই তার কাল হয়ে দাঁড়ালো।

ছিদ্রান্বেষণকারী প্রবীণজনের পরাক্রম বেসামাল রোষ চরিতার্থ করার সুযোগ হাতে তুলে দিলেন। এটা নিশ্চিত করে কবুল না করলেই নয় যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান বিপর্যয়ের নৈতিক দায় আতিউর রহমানের ওপর বর্তায় বৈকি। তাহলে পাশাপাশি সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বিসমিল্লা গ্রুপ, হলমার্ক, ডেস্টিনি, শেয়ার কেলেঙ্কারি ইত্যাদির কলঙ্কের দায়ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে নিশ্চিতভাবেই নিতেই হবে। তার ক্ষেত্রেও পদত্যাগের প্রশ্ন অনিবার্যভাবে এসেই যায়। আপত্তিকর একটি উক্তিও আমাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল- এতো সামান্য টাকা, এতে কোনো ক্ষতি হবেনা। স্বৈরাচারী সরকারের সেবাদাস, বাংলা ভাষার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন, ক্রুদ্ধ মেজাজে কথা ও আচরণ- আর যাই হোক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লক্ষণ নয়, প্রজাতন্ত্রের অনুগত একজন নীতিনির্ধারকেরও পরিচয় বহন করে না।

রাজকোষ চুরি হওয়ায় আমরা কেবল নয়, বিশ্ববাসীও উৎকণ্ঠিত। এ নিয়ে টানা কয়েকদিন যে দৌড়ঝাঁপ, বাক্যবাণ, পদত্যাগ, অব্যাহতিসহ নানা কিসিমের তৎপরতা আমরা প্রত্যক্ষ করছি তাতে কি ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য শুভ বার্তাবাহী হবে নাকি নৈরাজ্য ও অনাস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে! বিজ্ঞজনেরা এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারবেন। তবে সাধারণ নাগরিকের এর উত্তর পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে, পরিস্থিতি অবজার্ভ করে যেতে হবে। পদত্যাগকারী গভর্নরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সরকার প্রধানকে তহবিল চুরির ঘটনা অবহিত না করে ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছেন। অর্থমন্ত্রী জানান, তিনি সংবাদপত্র থেকে টাকা পাচারের কথা জেনেছেন, এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক তাকে কিছুই জানায়নি। কিন্তু সাবেক গভর্নর বললেন ভিন্ন কথা। তার জবানীতে আমরা জানলাম, অর্থমন্ত্রীকে তিনি লিখিত এবং প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। এতে সুস্পষ্ট যে অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্ব, ইগো প্রব্লেম এবং সমন্বয়হীনতা এ বিষয়টিকে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। শোনা যায়, অর্থমন্ত্রীর বিরোধিতা সত্ত্বেও কেবল প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে ড. আতিউর রহমান গভর্নর পদে অভিষিক্ত হয়েছিলেন। সম্ভবত সেখান থেকেই ইগোর সূত্রপাত।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ থেকে প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন বা ৯৫ কোটি ডলার চুরির চেষ্টা হয়েছিল। প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৮০ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সরিয়ে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফটের সংকেতলিপি (কোড) থেকে অর্থ স্থানান্তরের ৩৫টি ‘পরামর্শ বা অ্যাডভাইস’ পাঠানো হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে। সেখান থেকে কার্যকর হয়েছিল মোট ৫টি পরামর্শ।

ফিলিপাইনের পত্রিকা এনকোয়ারারে অর্থনৈতিক প্রতিবেদক দেক্সিম এল লুকাসের রিপোর্টের বরাতে এটি আর গোপন থাকেনি। অসীম কৃতজ্ঞতা জানাতে হয় তরুণ ফিলিপিনো চৌকস সাংবাদিক দেক্সিমকে। সংবাদপত্র এবং প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন সাংবাদিকতা যে কত বিশাল ভূমিকা পালন করতে পারে তা আমরা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে উপলব্ধি করার সুযোগ পেলাম। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার তো নমুনা আমাদের ইদানিং দৃষ্টিগোচর হয়না বললেই চলে। উল্লিখিত প্রতিবেদন অনুযায়ী আরও ৮০০০ কোটি টাকা চুরির চেষ্টা হয়েছে।প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৮০ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। পুরো অর্থ হাতিয়ে নিতে পারলে বাংলাদেশ ব্যাংকের খবর হয়ে যেত।

দেশের মোট বৈদেশিক মূদ্রার মজুতের পরিমান যদি ২৮ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ হয় এবং কথিত ‘হ্যাকড’ হওয়া অর্থের পরিমাণ যদি ১০১ মিলিয়ন ডলার হয়, তাহলে অংকের হিসাবে তার পরিমাণ ‘মাত্র’ ০.৩৬ শতাংশ। মজুত ২৮ বিলিয়ন ডলার তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য দক্ষ তহবিল ব্যবস্থাপক প্রয়োজন  যিনি বা যারা বিশ্বের মুদ্রাবাজার সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন। এছাড়াও এ তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজন আধুনিক, নির্ভরযোগ্য এবং নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ ব্যাংকে কি এসব আছে ? লেনদেনের সুবিধার্থে এ হিসেবগুলো দৈনিক তদারক করা এবং প্রতিটি লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে Reconcile (লেনদেনের সঠিকতা নিশ্চিতকরণ)করা বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট  বিভাগের দায়িত্ব।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি গত ১৫ তারিখ থেকে সরকারের একের পর এক গৃহীত পদক্ষেপে কম্পন-আতঙ্কের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। ব্যাংক পাড়ার মধ্যেও এই আতংক বিস্তৃত হয়েছে। গ্রাহকদের মধ্যেও আস্থা সংকট ঘনীভূত। ব্যক্তি বিশেষের ওপর নির্ভর না করে গঠিত তদন্ত কমিটি দ্রুততম সময়ের ভেতরে প্রতিবেদন জমা দেবার ব্যবস্থা এবং তদনুযায়ী নিরাপোষ পদক্ষেপ নেয়া সকল মহলের প্রত্যাশিত।পুরো বিষয়টি দেশপ্রেম এবং দায়িত্বশীলতার সাথে তদন্ত করে এই অর্থের মালিকদের (জনগণ) সঠিক তথ্যটি জানানো বর্তমান মুহূর্তে সরকারের একটি পবিত্র কাজ। তদন্তের আগেই ‘কেষ্ট বেটাকে’ চোর আর নিম পাতাকে ‘তুলসী’ বলা কোনোক্রমেই সঠিক কাজ নয়।

রাষ্ট্রের রাজকোষ হচ্ছে রাষ্ট্রের সার্বভৌম সম্পদ। বলাবাহুল্য যে এই সম্পদ লোপাট করে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ বা লঙ্ঘন সংঘটন করা হয়েছে যা অমার্জনীয় অপরাধ। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থার ভেতরে থেকে যারা রাজকোষের পাসওয়ার্ড/কোড বাংলাদেশের কিংবা বাইরের হ্যাকার চোরদের হাতে তুলে দিয়ে রাষ্ট্রের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, তাদেরকে অনতিবিলম্বে আইনের সম্মুখীন করা রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার কর্তব্য।

আমরা জেনেছি, বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরেই তস্করদের আস্তানা। ইতোমধ্যে তাদের শনাক্তও করা গেছে। তারা বড় ও মাঝারী পর্যায়ের কর্মকর্তা।এদের সঙ্গে বাইরের প্রভাবশালী জনাকয়েকের সম্পৃক্তততা ছিল বলেও জানা গেছে। এই রাঘব বোয়ালদের লম্বা হাতের নাগাল পাওয়া তদন্তকারীদের পক্ষে কতটা সম্ভব হবে তা অতীতের অভিজ্ঞতা অনুসারে বলা বেশ শক্তই। তবে সরকারের সর্বতো সদিচ্ছা, ভরসা যোগানো এবং উদ্যোগ এক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে সহায়ক হতে পারে। আর আমাদের একান্তই কাম্য- বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সর্বাঙ্গীণ ডিজিটালাইজড কেন্দ্রীয় ব্যাংক হয়ে ওঠার সকল শর্ত পূরণ করুক।

আইয়ুব হোসেন : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট ।(পরিবর্তন ডটকম ২গ মার্চ ২০১৬, লেখকের নিজস্ব মতামত। এই মতামতের সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই)