কানাডায় ম্যানিটোবার প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে বাংলাদেশি দুরদানা

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯ আপডেটঃ ২:৫১ অপরাহ্ন

কানাডায় ম্যানিটোবার প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে আলোচনায় ওঠে এসেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী ড. দুরদানা ইসলাম। এনডিপির মনোনয়ন নিয়ে ম্যানিটোবার সিয়াইন রিভার নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ম্যানিটোবার প্রভিন্সিয়াল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, অন্টারিওর স্কারোবোর সাউথওয়েস্ট আসনে এনডিপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়ে ডলি বেগম কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশেদ্ভিূত জনপ্রতিনিধি হবার ইতিহাস তৈরি করেন। এবার ম্যানিটোবায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইতিহাস তৈরির স্বপ্ন দেখছেন দুরদানা ইসলাম্ও। তাকে সমর্থন দিয়ে কৌশলগত পরামর্শ দিচ্ছেন স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম এমপিপি ডলি বেগম। ইতিমধ্যে ভিডিও বার্তায় তিনি দুরদানাকে সমর্থন দিয়ে তার জন্য ভোট চেয়েছেন তিনি।

ইউনিভার্সিট অব ম্যানিটোবা থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ ও জলবায়ু ব্যবস্থাপনায় পিইচডি ডিগ্রীধারী ড. দুরদানা কানাডার রয্যাল রোড ইউনিভার্সিটি এবং অস্ট্রেলিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে দুই দফা মাস্টার্স ড্রিগী করেন। পুরষ্কার বিজয়ী জলবাযু গবেষক ড. দুরদানা উইনপেগ ইউনিভার্সিটিতে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন।

ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম এবং আঞ্জুমানারা বেগমের কন্যা দুরদানা ইসলাম ১৯৭৮ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৪ সালে কুমিল্লা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করে এসএসসি উত্তীর্ণ হন তিনি। নর্থসাউথ ইউনিভার্সিট থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ব্যাচেলর ড্রিগী করার পর তিনি অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। পরে কানাডায় অভিবাসী হন দুরদানা।

১৯৯০ সাল থেকে পৃথক নির্বাচনী রাইডিং হিসেবে যাত্রা শুরু করা সিয়াইন রিভার আসনটিতে বরাবরই কনজারভেটিভ আর এনডিপির মধ্যে লড়াই হয়েছে। ১৯৯০ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত কনজারভেটিভ পার্টির নিয়ন্ত্রণে ছিলো এই আসনটি। ২০০৩ সালে এনডিপি এই আসনটি ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তী ‍দুটি নির্বাচনে এনডিপি প্রার্থী নির্বাচিত হয় এই আসনে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে আবার কনজারভেটিভ পার্টি জয়ী হয়।

কনজারভেটিভ পার্টি থেকে নির্বাচিত বর্তমান এমএলএ জেনিস মোরলিও এবার এই আসনে প্রার্থী। তার কাছ থেকে আসনটি পূণরুদ্ধার করতেই এনডিপি বাংলাদেশি বংশোদ্ভীত ড. দুরদানা ইসলামকে এই আসনে মনোনয়ন দিয়েছে। মাত্র ১৮ শতাংশ অভিবাসী অধ্যূষিত এই আসনের ৯০ শতাংশের বেশি বাসিন্দা নিজের মালিকানাধীন বাড়ীতে বসবাস করেন। অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল নাগরিকদের বসতিপূর্ণ একটি আসনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ড. দুরদানা নির্বাচনী লড়ইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন।

এসএইচ-০৫/০৬/১৯ (প্রবাস ডেস্ক)