ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ও যোগাযোগ বিষয়ক প্রধান লি কেইন বুধবার রাতে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন। জনসনের প্রেমিকা ক্যারি স্যামন্ডসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও পরামর্শকরা নাকি তার চিফ অব স্টাফ এর পদন্নোতিতে বাধ সেঁধেছিলেন। ক্যারি স্যামন্ডের মতে লি কেইনের পরামর্শগুলো কোনো কাজের না।
বরিসের আরেক সহযোগি ও পরামর্শক ডমিনিক কুমিংসও জানিয়েছেন তিনি ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সরে যেতে পারেন। কুমিংসের পদত্যাগের খবর জনসনের কাছের অন্যান্যদের ওপর পদত্যাগের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
কেইনের বন্ধু ও ইউরোপিয় ইউনিয়নে ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটেনের প্রধান সমঝোতাকারী ডেভিড ফ্রস্টও নাকি সরে যাওয়ার কথা ভাবছেন।
তবে ডাউনিং স্ট্রিটে ক্ষমতার এই গোলযোগ ভাবাচ্ছে না টোরি এমপিদের । তারা পদত্যাগের এই হিড়িককে উৎসব হিসেবেই নিয়েছেন। কারণ অনেক রক্ষণশীল এমপিদের ধারণা এই পরামর্শকরা করোনা ভাইরাস মোকাবেলা সহ অন্যান্য ইস্যুতে বরিসকে ভুল পরামর্শ দিয়েছেন।
যার ফলে এমপিদের সঙ্গে ১০নংয়ের দুরুত্ব তৈরি হয়েছে। টোরি এমপিরা গত কয়েক মাসে বরিসের খারাপ পরিচালনার জন্য তার পরামর্শকদের দায়ী করছেন।
টোরি বেকবেঞ্চ ১৯২২ কমিটির ভাইস- চেয়ার স্যার চালর্স ওয়াকার বিবিসিকে বলেন, ‘এটি খুবই ভালো খবর। এটি জনসনের জন্য নতুন চিফ অব স্টাফ নিয়োগ করে পার্লামেন্টারি পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার অন্যতম সুযোগ।’
এসএইচ-০৯/১৩/২০ (অনলাইন ডেস্ক)