অসচেতন যৌন সম্পর্ক ডেকে আনে এই ক্যানসার, সচেতন হন আজই

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ১৪, ২০১৯ আপডেটঃ ৫:০৪ অপরাহ্ন

শরীর নিয়ে কেবল সচেতন হলেই চলে না, শারীরিক সম্পর্ক নিয়েও সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। না হলে আধুনিক বিশ্বের অন্যতম সমস্যা সারভাইকাল ক্যানসারকে ঠেকিয়ে রাখা যায় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫-’১৬-তে এই দেশে প্রায় ৬৩ হাজার মহিলা সারভাইক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। দিনকে দিন হু হু করে বাড়ছে এই অসুখ।

মেয়েরাই এই অসুখের শিকার হন, তাই সাবধানতার মানও তাঁদের সতর্কতার উপর নির্ভর করে। হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি)-এর আক্রমণে এই ধরনের অসুখের শিকার হন মহিলারা। যদিও মানবশরীরেই এমন অসুখকে ঠেকিয়ে রাখার ক্ষমতা রয়েছে, তবু ইদানীং অল্পবয়সিদের মধ্যে এই ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ছে।

পরিবর্তিত আবহাওয়া, ভাইরাসের চরিত্রবদল, লাগামহীন যৌনতা এগুলোকেই প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পেলভিসে যন্ত্রণা, ঋতুকালীন নানা সমস্যা, যৌন সম্পর্ক স্থাপনের সময় ব্যথা বা রক্তপাত ইত্যাদি নানা লক্ষণ এলেই সচেতন হোন।

ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সোমনাথ সরকারের মতে, ‘‘পলিসিস্টিক ওভারি, বন্ধ্যাত্ব ইত্যাদির সমস্যা থাকলে সচেতনতার মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। প্যাপ স্মিয়ার টেস্টকেও অবহেলা করা চলবে না।” যৌন সম্পর্ক স্থাপনের সময় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক হলে এ অসুখ ঠেকানো যায়, জানেন?

১. সঙ্গীর কোনও যৌন অসুখ আছে কি না সে সম্পর্কে নিশিচত হোন।

২. ঘন ঘন যৌন সঙ্গী বদলাবেন না, সুরক্ষিত যৌনজীবনে অভ্যস্ত হোন, মিলনের সময় কন্ডোম ব্যবহার করুন।

৩. মাত্রাছাড়া গর্ভনিরোধক বড়ি নয়, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৪. পলিসিস্টিক ওভারি থাকলে সচেতন হোন, তেল-মশলা এড়িয়ে খাওয়াদাওয়া করুন, সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হন।

৫. ঋতুকালীন সমস্যা থাকলে সচেতন হোন। অতিরিক্ত রক্তপাত, অস্বাভাবিক বেদনা ইত্যাদি থাকলে অযথা সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হোন।

আরএম-২৬/১৪/০৪ (স্বাস্থ্য ডেস্ক, তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা)