মাতৃভাষাকে বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭ আপডেটঃ ১২:০২ পূর্বাহ্ন

‘আসুন আমাদের মাতৃভাষাকে বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে৷ ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে অন্যদেরকে জাগ্রত করার চেষ্টা করতে হবে সকলকে৷ এমন মন্তব্য অনেকের।

শাহরিয়ার সুজন বলছেন, ‘‘ভালবাসি মা ও মাতৃভাষা, আমরা বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দাবি তুলি,অথচ নিজেদের কাজেই বাংলা কথাটা ব্যবহার করি, কিন্তু কিভাবে করি তা নিয়ে ভাবি না৷”

নিশাত সুলতানা কথা দিয়ে তাঁর মনের কথা প্রকাশ করেছেন, ‘‘এল ফেব্রুয়ারি মাস৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঢুকলেই চোখে পড়ে বিভিন্ন দিবস সম্পর্কিত কত কিছু৷ আমি বুঝি না, কোনটা চকলেট, কোনটা হাগ, কোনটা কিস, কোনটা ভালবাসা ইত্যাদি ইত্যাদি৷

বিশেষত এই দিনগুলি নিয়েই মাসের শুরু থেকে এত মাতামাতি৷ যেখানে জনাকতক লোককে চোখে পড়ে, যারা মাতৃভাষা ‘বাংলা’ নিয়ে বিভিন্ন আয়োজন করে এবং লিখে৷ আমি তাদের সাধুবাদ জানাই৷ তারা স্মরণ করিয়ে দেয় আমাদের সেই পুর্বপুরুষদের কথা, যাঁরা বাংলা ভাষার জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল৷”

আরও খবর : ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ২১ ফেব্রুয়ারি

‘‘সত্যিই বিস্মিত হতে হয়, মাঝে মাঝে তো গা শিউরে উঠে এই ভেবে যে, কতটা দেশপ্রেমী হলে একজন মানুষ বন্দুকের মুখের সামনে অগ্রসর হওয়ার তাগিদ প্রাণে অনুভব করেন৷ সত্যিই তাঁরা অসাধ্য সাধন করেছিল৷ ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করার বিনিময়ে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছিল, যা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল৷ গভীর ধ্যানে থাকলে এটা বুঝতে পারি যে, তাঁরা অসলে মা ও মাতৃভাষাকে সম্পূর্ণভাবে মনে ধারন করতে পেরেছিল৷

মনে ধারণ করা বলতে শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলাটাকেই বোঝায় না, বরং বাংলাকে প্রাণের ভাষা হিসেবে অন্তরে ধারণ করাটাই বোঝায়৷ কিন্তু আজ এ সুশীল সমাজে ভাষাপ্রেমী ও অনুশীলনকারীর সংখ্যা খুবই কম… প্রায় নেই বললেই চলে৷ ”

এসএইচ-০২/২১/০২ (অনলাইন ডেস্ক, সূত্র : ডয়েচে ভেলে)