দুই শতাধিক জঙ্গির কাশ্মীর প্রবেশের চেষ্টা

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯ আপডেটঃ ৪:০৫ অপরাহ্ন

ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারার আওতায় কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করজে। এ নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা যখন চরমে। তখন পাকিস্তান থেকে দুইশতাধিক জঙ্গি কাশ্মিরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেছেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে কাশ্মীর উপত্যকায় সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রায় ২৩০ জন জঙ্গি কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় অনুপ্রবেশ করতে প্রস্তুত হয়ে আছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

এদিকে সামরিক কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন যে, ইতোমধ্যেই কিছু জঙ্গি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে। দোভাল বলেন, বিপুল পরিমাণে অস্ত্র চোরাচালান হচ্ছে এবং কাশ্মীরের মানুষকে সমস্যা তৈরি করার জন্যে উসকে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা সব নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে চাই। তবে এটা নির্ভর করছে পাকিস্তানের আচরণের উপর। যথেষ্ট উত্তেজক ও প্রতিক্রিয়ামূলক পরিস্থিতি রয়েছে সেখানে। যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের দমনে পদক্ষেপ নেয় যাতে তারা ভারতের মাটিতে অনুপ্রবেশ না করে, যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দেয়, তবে এই বিধিনিষেধ তুলে নিতে পারি আমরা।

নিরাপত্তার স্বার্থেই কাশ্মীর উপত্যকার কিছু অংশে এখনও বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। কিছুটা প্রতিবন্ধকতা শিথিল করা হয়েছে, তবে মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট পরিষেবা এখনও বন্ধ রয়েছে কারণ এগুলোই অশান্তি ছড়াতে ব্যবহার করা হতে পারে বলে মনে করেন অজিত দোভাল।

তবে পাকিস্তান তাদের মাটিতে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, অস্ত্রশস্ত্রের জোগান দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে বলে ভারত যে অভিযোগ করছে তা অস্বীকার করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

গত মাসে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়া হয়। জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্তের ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। এরপর থেকেই কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এসএইচ-১১/০৮/১৯ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক)