অক্টোবরে মন্ত্রিসভার আকার ছোট হবে

প্রকাশিতঃ জুলাই ১১, ২০১৮ আপডেটঃ ৩:১৯ অপরাহ্ন

চলতি বছরের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে অক্টোবরে মন্ত্রিসভার আকার ছোট করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন, ইসিকে সব ধরনের সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে সরকার। তবে, এই সরকারে অনির্বাচিত কারো যোগদানের সুযোগ নেই বলে মনে করেন সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ।

অক্টোবরের শেষভাগে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে সরকার শুধু নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে পারে।

সংবিধান অনুযায়ী, একটি সরকার থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে আরেকটি সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। নির্বাচনের সময় আগের নির্বাচিত সরকারই দায়িত্বে থাকবে। আর নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সব ধরনের সহায়তা দেবে সরকার।

আরও খবর : অা’ লীগ তিন সিটি নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে

নির্বাচনের সময় সরকারের আকার ছোট-বড় করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে করতে পারেন। আওয়ামী লীগ বলছে, তফসিল ঘোষণার আগেই মন্ত্রীসভার আকার ছোট হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বলেছেন, এটা একেবারেই মাননীয় প্রথানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। যে সংখ্যাটি নিয়ে তিনি মনে করবেন, ঐসময় তিন মাস দেশ সঠিকভাবে পরিচালনা ও নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার জন্য মন্ত্রিসভার যেমন আকার প্রয়োজন তেমন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে। আমি মনে করি ১৫ থেকে ২০ জনের হতে পারে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় মন্ত্রিসভার আকার বর্তমানে যে আকার আছে তার চেয়ে একটু ছোট হতে পারে। আলাদাভাবে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে এমন কোনো কথা আমার জানা নেই।

আকারে ছোট এই সরকারকেই বলা হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার। এই সরকারে অনির্বাচিত কারও থাকার সুযোগ দেখছেন না সাবেক আইনমন্ত্রী।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, নতুন করে নির্বাচন কালীন সরকারের ধারণা নিয়ে আসাটা গ্রহণযোগ্য হবে না।

এসএইচ-১৪/১১/০৭ (অনলাইন ডেস্ক, তথ্যসূত্র : ডিবিসি নিউজ)