অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ভাবছে আ’লীগের নীতিনির্ধারকরা

প্রকাশিতঃ জুলাই ১১, ২০১৮ আপডেটঃ ৩:৩৫ অপরাহ্ন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিএনপি বা অন্য কোনো দলকেই চ্যালেঞ্জ মনে করছে না। জয়ের পথে প্রধান বাধা অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দলে বিগত দশ বছরে ঘাপটি মেরে থাকা বহিরাগতদের বিশৃঙ্খলা নিয়ে ভাবছে নীতিনির্ধারকরা।

দলীয় সভাপতি এরই মধ্যে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতা ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের বলেছেন, স্থানীয় পর্যায়ে কোন্দল নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে আওয়ামী লীগে সুবিধা নিতে বা আশ্রয় নিতে আশা বহিরাগতদের খুঁজে বের করতে।

আওয়ামী লীগ দলীয় বিশেষ সূত্র জানিয়েছে,গত ২৩ জুন থেকে তিন দফায় বিশেষ বর্ধিত সভা থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বক্তব্যে এবং দলীয় সভাপতিকে দেওয়া তাদের অভিযোগপত্রে অভ্যরীণ কোন্দলের প্রকটতা দেখা দেখে সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত এসব দ্বন্দ্ব নিরসন করতে হবে।

আরও খবর : অক্টোবরে মন্ত্রিসভার আকার ছোট হবে

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী নিজেও অনেক এলাকার নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন কিভাবে দ্বন্দ্ব সংঘাত মিটিয়ে ফেলা যায়। বিশেষ করে কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সংসদের প্রধান হুইপ আতিকুর রহমান চৌধুরীরর সঙ্গে চলমান সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী নিজে হস্তক্ষেপ করেছেন বলে একটি বিশেষ সূত্র জানিয়েছে।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন, তৃণমূলের নেতারা সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এগুলো দেখা হচ্ছে। সাংগঠনিক সম্পাদকদের বলা হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এগুলো দেখতে। তাছাড়া তৃণমূলের নেতারা অভিযোগ করেছেন, অনেক এমপি এলাকা যান না এবং ত্যাগী নেতাদের এড়িয়ে এসব এমপিরা বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত ছিলো এমন লোকজনকে দলে আশ্রয় প্রশয় দিয়েছেন। ফলে এলাকায় দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি জানান, শেখ হাসিনা তৃণমূলের তথ্য আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট এমপি এবং সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। দল থেকে আবারও সাংগঠনিক সফর শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদব মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, অনেকেই রঙ পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়েছে। এরাই দলে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। তৃণমূলে থেকে জেলা পর্যন্ত এর বিস্তার। তিনি বলেন, দলের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা এসব বহিরাগতদের খুঁজে বের করে বহিস্কার করা হবে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তৃণমূলের মতামতের উপর এবার অনেকের মনোনয়ন নির্ভর করছে। বিশেষ করে গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যারা প্রথমবারের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে জনবিচ্ছিন্নতার অভিযোগ অনেক বেশি।

এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগামী এক দুই মাসের মধ্যে যদি এমপিরা এলাকায় ভালো ইমেজ তৈরি করতে না পারেন তাহলে এবার মনোনয়ন পাবেন না।

এসএইচ-১৫/১১/০৭ (অনলাইন ডেস্ক, তথ্যসূত্র : আমাদের সময়.কম)