সরকারের অধীনেই নির্বাচন করতে চায় ইসলামী দলগুলো

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ৬, ২০১৮ আপডেটঃ ২:১৩ অপরাহ্ন

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সাথে সরকারের যে সংলাপ চলছে তারই অংশ হিসেবে ইসলামপন্থী কয়েকটি দলের সাথে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এসব দলের মধ্যে রয়েছে ইসলামী ঐক্যজোট, মুসলিম লীগ, জাকের পার্টি, সম্মিলিত ইসলামী জোটসহ আরো কয়েকটি দল। বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যখন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি করছে তখনই এসব সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই সংলাপের মাধ্যমে কী দাবি আদায় করতে চাইছে ইসলামী দলগুলো – এমন প্রশ্নের জবাবে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল রতিফ নেজামী জানান, নির্বাচনের সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দাবি নিয়ে বিরোধী জোটগুলোর সাথে সরকারের দ্বন্দ্বের সমাধান খোঁজার উদ্দেশ্যে এই সংলাপ।

“নির্বাচনকালীন সরকারের যে দাবি বা বিতর্ক তা সমাধানের লক্ষ্যে আইনগত ও সাংবিধানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে এ সমস্যার সমাধান করা বাঞ্ছনীয়।”

তিনি মন্তব্য করেন, এই বিষয়ে একটি স্থায়ী আইন করা প্রয়োজন যেন ভবিষ্যতে নির্বাচনের সময় এবিষয়ে কোনো বিতর্ক তৈরি না হয়।

নেজামী বলেন, “সারা দেশে হাজার হাজার আলেম ওলামা মামলায় জর্জরিত, আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাবো তাদের এসব মামলা যেন প্রত্যাহার করা হয়।”

নির্বাচনকে সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলো যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে সেই দাবিও জানাবে ইসলামী দলগুলোর নেতারা।

নেজামী নিশ্চিত করেন, ইসলামী জোটগুলো এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

“প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ আরো অনেক দেশে ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে বা সংসদ রেখেই নির্বাচন হওয়ার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। আমাদের দেশেও ঐ পদ্ধতিই অনুসরণ করা উচিত বলে আমার মনে হয়।”

পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় যেন এই প্রশ্নে আর বিতর্ক তৈরি না হয় সে লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকারসহ একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচনের আগে কয়েকটি বিরোধীদলের সাথে সংলাপ সীমাবদ্ধ না রেখে সব রাজনৈতিক দলের সাথে পরিচালনা করার সিদ্ধান্তকেও ইসলামী ঐক্যজোটগুলোর পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানান নেজামী।

এসএইচ-০৭/০৬/১১ (অনলাইন ডেস্ক, তথ্যসূত্র : বিবিসি)