প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাদকের গডফাদারদের তালিকা

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৮ আপডেটঃ ৬:১৫ অপরাহ্ন

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু জানিয়েছেন, বাংলাদেশে মাদক বিক্রি, চোরাচালানের মূল হোতাদের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছে। আর এই তালিকা ধরে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সোমবার সচিবালয়ে আইনশৃংখলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এই কমিটির সভাপতি।

শিল্পমন্ত্রী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে সরকার মাদক বিক্রি বা চোরাকারবারে জড়িতদের তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকার। আমরা এখন বিশেষভাবে মাদক ব্যবসায়ী গডফাদার সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তালিকার ভিত্তিতে কাজ করছি। তবে এই গডফাদার কারা, সে বিষয়ে ব্রিফিংয়ে কিছু জানাননি তিনি।

দেশে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে এসেছে জানিয়ে আমু বলেন, বেড়েছে মাদক সেবন। তাই আমরা মাদকটাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। মাদক যাতে বেশি পরিমাণে বিস্তারলাভ করতে না পারে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

আরও খবর: মরে গেলেও ‘কারা পোশাক‘ পোশাক পরব না: খালেদা জিয়া

এভাবে মাদক সেবন বৃদ্ধি পেলে জাতির ভবিষ্যৎ একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। সমস্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে।

দেশের সমস্ত মসজিদে খুদবা শুরুর আগে ইমাম সাহেব যেন এ ব্যাপারে সচেতনতামূলক কথা বলেন এবং মাদকের খারাপ দিক তুলে ধরেন এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে। বিশেষ করে সমাজে যাতে মাদকবিরোধী একটি সামাজিক বিপ্লব হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই কর্মতৎপরতা গ্রহণ করেছি। এটা কার্যকর করার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০১৩ সালে হতে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১২৩ জন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানানো হয় সভায়। বলা হয়, দেশের মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সমস্ত গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা সমন্বয় করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

এমও-১৪/১২-০২ (ন্যাশনাল ডেস্ক)