নেপালে বিমান দূর্ঘটনায় বাংলাদেশি ৩৬ জনের মধ্যে ২৬ জন নিহত

প্রকাশিতঃ মার্চ ১৩, ২০১৮ আপডেটঃ ৫:৪৭ অপরাহ্ন

নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিধ্বস্ত উড়োজাহাজে থাকা ৩৬ বাংলাদেশির ২৬ জনই নিহত হয়েছেন। বাকিরা কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম একথা জানান।

তিনি বলেন, উড়োজাহাজে ক্রুসহ ৭১ জন ছিলেন। এর মধ্যে চার ক্রুসহ ৩৬ জন বাংলাদেশি ছিলেন। নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস ও আমাদের প্রতিনিধি খোঁজ-খবর নিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন যে, ৩৬ জনের মধ্যে ২৬ জন মারা গেছেন। উড়োজাহাজের ক্রুরা সবাই নিহত হয়েছেন।’ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বাকি ১০ জন তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।’

আরও খবর : বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বেঁচে আছেন ৯ বাংলাদেশি

নরডিক হসপাতালে ইয়াকুব আলী আর ওম হসপাতালে রেজওয়ানুল হক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আটজন হলেন- শাহিন আহমেদ, শাহীন ব্যাপারী, মেহেদী হাসান, মিসেস ইমরানা কবির হাসি, সাইয়েদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, শেখ রাশেদ রুবায়েত, মিসেস আলিমুন্নাহার এ্যানি, মো. কবির হোসেন।

ইউএস-বাংলার এই কর্মকর্তা বলেন, ‘চিকিৎসাধীনদের অবস্থা একেক জনের অবস্থা একেক রকম। কারো ব্যাপারে আমরা এই মুহূর্তে কিছুই বলতে পারছি না। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে আমাদের খরচে। তাদের আত্মীয়রা সেখানে যতদিন থাকতে চায়, আমরা তাদের থাকার ব্যয়ভর বহন করব।’

তিনি বলেন, ‘মৃতদেহগুলো খুব দ্রুতই ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।’ তবে কবে নাগাদ ফেরত আনা হবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি কামরুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে ৬৭ জন যাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী নিয়ে সোমবার দুপুরে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস ২১১ রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়। এতে ৫০ জন আরোহী নিহত হন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এসএইচ-০৮/১৩/০৩ (ন্যাশনাল ডেস্ক)