বিএনপিকে অপরাজনীতি ও মিথ্যাচার থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান আ’লীগের

প্রকাশিতঃ মে ১৬, ২০১৮ আপডেটঃ ৭:৫৯ অপরাহ্ন

বিএনপিকে অপপ্রচার বন্ধ করে অপরাজনীতি ও মিথ্যাচারের সংস্কৃতি থেকেও বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে যেকোনো মূল্যে জিততে হবে এ ধরনের মানসিকতা এবং জিতলে আছি, হারলে নাই এ ধরনের ‘অপকৌশল’ থেকে বিএনপিকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

বুধবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সেখানে তিনি লিখিত বক্তব্যে বিএনপির প্রতি এ আহ্বান জানান।

লিখিত বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা বুঝতে পারেননি, এখন জনগণ অনেক সচেতন। মিথ্যাচার, বিভ্রান্তি ও ভীতি সঞ্চার করে জনগণের মন জয় করা যায় না। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল তা আবারও প্রমাণ করেছে। বিএনপি নেতাদের বোঝা উচিত, এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী, অর্থ পাচারকারী দুর্নীতিবাজ এবং লুটেরাদের দল বিএনপি ক্রমাগত জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাদের জন্য আরও বড় পরাজয়ের পরিণতি অপেক্ষা করছে।

আরও খবর: ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান, সিইসির পদত্যাগ দাবি বিএনপির

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগ বিষয়ে বিএনপির দাবির প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে সিইসি নির্বাচন করা হয়েছে। এখানে বিএনপিরও অংশগ্রহণ ছিল। কাজেই এ ধরনের দাবি ‘মামাবাড়ির আবদার’ ছাড়া আর কিছু নয়। বিএনপির খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, গেজেট হয়ে গেছে। এটা তো আমাদের বানানো বা সাজানো কোনো বিষয় নয়। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণের রায়কে যারা প্রত্যাখ্যান করেছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনেও জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

এ সময় ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্ন করেন, নির্বাচন যদি ফ্রি-ফেয়ার না হতো, তাহলে কি এত ভোট বিএনপি পেত? আপনারা সাংবাদিকেরাও ছিলেন, কোথায় হস্তক্ষেপ হয়েছে? কোথায় কেন্দ্র দখল হয়েছে? কোথায় ভোট জালিয়াতি হয়েছে?পর্যবেক্ষকেরা বলছেন না, সাংবাদিকেরা বলছেন না। এমনকি গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের কট্টর সমালোচকেরাও এই নির্বাচনকে মোটামুটি একটি ভালো নির্বাচন বলে প্রশংসা করেছেন। শুধু প্রশংসা করতে পারেনি বিএনপি। বিএনপিকে খুশি করতে হলে তাদের জেতাতে হবে।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

এমও-১৭/১৬-০৫ (ন্যাশনাল ডেস্ক, তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)