সিটি নির্বাচনে এমপিরা প্রচারে যেতে পারবেন

প্রকাশিতঃ মে ২৪, ২০১৮ আপডেটঃ ৪:৫৬ অপরাহ্ন

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা (এমপি) নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি নিয়ে কমিশনের সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

সচিব বলেন, ‘সংসদ সদস্যরা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন। তবে সংসদ সদস্যরা সার্কিট হাউজ এবং সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবে না।’

‘এটি আমাদের নির্বাচন কমিশন থেকে পাস হয়েছে। দ্রুতই এটি আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে’, যোগ করেন ইসি সচিব।

আরও খবর : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রয় শুরু ১ জুন

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বর্তমান আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তফসিলের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। তবে ভোট দেওয়ার জন্য তাঁরা কেন্দ্রে যেতে পারেন।

অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হচ্ছেন- প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের মেয়র।

বিধিমালাথেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ বাদ দেওয়া বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সংসদ সদস্যদের পদটি যেহেতু লাভজনক নয়, তারা সরকারি কোনও গাড়ি ব্যবহার করেন না এবং তাদের জন্য কোনও কর্মকর্তাও নেই, সেজন্য এমপিদের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা না করে বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত এসেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি হচ্ছে তারা আমাদের স্টেকহোল্ডার। তাদের থেকে অনেক প্রস্তাব আসে। যে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন যুক্তিযুক্ত মনে করে, সেটি বিবেচনায় নেয়।’

এছাড়া বৈঠকে দলীয় প্রতীক হিসেবে কোনও প্রতীকের প্রতিকৃতি ব্যতীত অন্য কিছু ব্যবহার না করা, প্রতিটি ওয়ার্ডে মেয়র পদে একটি নির্বাচনি অফিস স্থাপনসহ আরও কিছু সংশোধনী আনা হয়।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণা নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে বিদায়ী রকিব কমিশনও এই ধরনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু, নির্বাচন প্রভাবিত হবে বিবেচনায় নিয়ে এমপিদের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করে তাদের প্রচারণার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় রকিব কমিশন। বিদ্যমান বিধিমালা হিসেবে তফসিল ঘোষণার পর থেকে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকায় যাওয়া বা প্রবেশের কোনও সুযোগ নেই। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার হলে তিনি ভোট দিতে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে শুধু এমপিরাই নন, মন্ত্রীরাও ভোট দেওয়ার জন্য নির্বাচনি এলাকায় যাওয়ার সুযোগ পান।

এসএইচ-৩৮/২৪/০৫ (ন্যাশনাল ডেস্ক)