ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে পুলিশি বাধার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ৮, ২০১৮ আপডেটঃ ৪:৪০ অপরাহ্ন

শুক্রবার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় মহাসমাবেশ। বুধবার সন্ধ্যায় ১২ শর্তে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে নগর পুলিশ আরএমপি।

কিন্তু সেই সমাবেশ আয়োজনে নানানভাবে পুলিশী বাধার অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর মালোপাড়া এলাকার দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন মিনু।

তিনি বলেন, তিনি বলেন, সমাবেশের মাত্র ১৪ ঘণ্টা আগে ১২টি শর্তে সমাবেশ করার লিখিত অনুমতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু জনসমাগম ঠেকাতে বাস বন্ধ করে দিয়েছে সরকার সমর্থকরা।

এছাড়া পুলিশের কিছু অতি উৎসাহী এবং উচ্চভিলাষী কর্মকর্তা সমাবেশে নানাভাবে বাধা দিচ্ছেন। চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকাতেও ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ কেন্দ্র করে এমনটি করা হয়েছিলো। তবে যে কোন মূল্য এই সমাবেশ সফল করবে ঐক্যফ্রন্ট।

রাজশাহীর মহাসবাবেশে জনসমাবেশের অতীত রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, অতীতে বড় বড় নেতাদের বক্তব্য শুনতে মানুষের ঢল নামত। ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশেও তাই হবে। লাখো লাখো মানুষের ঢল নামবে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে।

মিনু আরো বলেন, ড. কামাল হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাহামুদুর রহমান মান্না, আ স ম আবদুর রব, কর্ণেল অলি আহমেদ, আন্দালিব রহমান পার্থের মতো নেতারা রাজশাহীর সমাবেশে যোগ দেবেন।

এই সমাবেশ থেকে এমন কর্মসূচি আসবে যা দেশের রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে দেবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্ত হবেন। এই সমাবেশ থেকেই সরকার পতনে গণ আন্দোলন শুরু হবে বলেও জানান মিনু।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার দিন ঠিক করার ব্যাপারে মিনু বলেন, সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দেশের জনগণ মানে না। অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে এই কমিশন করা হয়েছিল। জনগণকে নিয়ে প্রয়োজনে আবার নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হবে। জণগণের ভোটের অধিকার রক্ষা করা হবে।

ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে শুরু করেছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, অনেককেই গ্রেপ্তার কর হয়েছে। শতাধিক নেতাকর্মীর বাড়িতে পুলিশ গেছে। তবে ঠিক কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে জানাননি মিনু।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে ‍উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহীন শওকত, নগরের সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, জেএসডির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ গোফরান, নগর সম্পাদক মারুফ আহমেদ পিকু, জাসদ নেতা মনির আহমেদ বাবর, শফিকুল আলম বাবর প্রমুখ।

বিএ-০৯/০৮-১১ (নিজস্ব প্রতিবেদক)