কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা, একজনের মৃত্যুদণ্ড দুইজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ৭, ২০১৮ আপডেটঃ ৭:৫৭ অপরাহ্ন

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার আলোচিত কিশোরী জেসমিনকে ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত সাইফুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

একইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত মিরাজ বেপারী ও নুর ইসলাম ওরফে লেদাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় দেন। হত্যার শিকার জেসমিন আক্তার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুরের দক্ষিণ হরিণা গ্রামের চুন্নু মিয়ার মেয়ে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়ার গুলিশা গ্রামের অলিউল্যা শেখের ছেলে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত মিরাজ একই উপজেলার সোবহানপুর গ্রামের চুন্নু মেম্বারের ছেলে এবং নুর ইসলাম ওরফে লেদা একই উপজেলার পূর্ব গুলিশা গ্রামের মুসলিম রাঢ়ীর ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি রাতে আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে জেসমিন আক্তারকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে ফসলি জমিতে ফেলে যায়। ২৬ জানুয়ারি ভোরে স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে জানায়। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) রহমান আলী বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নিজাম উদ্দিন একই বছরের ১০ মে আদালতে চার্জশিট দেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আমান উল্যাহ বলেন, মামলটি প্রায় ৪ বছর আদালতে চলমান অবস্থায় ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ নেন আদালত। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন। আসামিরা গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেয়া হয়।

বিএ-১৪/০৭-১১ (আঞ্চলিক ডেস্ক)