চাঁদে যাওয়ার টিকিট বিক্রি হবে আগামী বছর (ভিডিও)

প্রকাশিতঃ জুলাই ১০, ২০১৮ আপডেটঃ ১১:৫২ অপরাহ্ন

২০১৯ সালেই চাঁদ ভ্রমণে মহাকাশযানে করে নিয়ে যাওয়া হবে পর্যটক। আর আগামী বছরেই বিক্রি হবে চাঁদে যাওয়ার টিকিট। এই টিকিট বিক্রি শুরু করবে অ্যামাজানের সত্তাধিকারি কোটিপতি জেফ ব্যাজস।

এমটাই জানিয়েছে ব্যাজসের স্পেস স্টোরিজম স্টারটা প্রতিষ্ঠান ব্লো অরিজিম। মহাকাশে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে আরো অনেক স্পেস স্টারটা প্রতিষ্ঠানও।

রকেট নয়, এবার মহাকাশযান দিয়েই যেতে পারবে চাঁদে। মহাকাশের কক্ষপথ হয়ে চাঁদে রাখবেন পা। এমনেই সুযোগ এনে দিচ্ছে স্পেস স্টোরিজম স্টারটা প্রতিষ্ঠান ব্লো অরিজিম। প্রতিষ্ঠানটির কর্তিপক্ষ বলছে কক্ষজান নিউ সেফার্ডে করে ২০১৯ সালে প্রথমে মহাকাশে যাত্রা করবে পর্যটকরা। ধারনা করা হচ্ছে চাঁদে যাওয়ার জন্য প্রতি টিকিটের দাম পরবে ১৫ কোটি ডলার।

এখন পর্যন্ত মানুষ ছাড়া এ রকেটের পরিক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়েছে। কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারিদের নিয়ে একটি ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে তাদের।

আরও খবর : আবর্জনা ঢাকতে জাতীয় পতাকা!

এরই মধ্যে নিউ সেফার্ডের টু ক্যাপসুল জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী এ ক্যাপসুল মহাকাশচারীদের পৃথিবী থেকে ৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে। এছাড়া মিলিটারি স্যাটেলাইট লঞ্চের জন্য ১ হাজার ৩শ কোটি ডলারের অর্ডার পেয়েছে স্পেসিস্ক।

২০০০ সালে যাত্রা শুরু করে এ এরোস স্পেস কোম্পানি। কোম্পানিতে অর্থায়ন করে অ্যামাজানের প্রতিষ্ঠাতা জেফ ব্যাজস।

এদিকে চাঁদে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত এলেন মাস্কক্যাস স্পেসেস্ক। স্পেসেস্কের রকেট গুলো বর্তমানের মহাকাশচারী আর কার্গো বহন করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌছে দিতে সক্ষম। যেখানে ব্লো অরিজিনের রকেট মাত্র পরিক্ষা মুলকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

মানুষকে মহাকাশযানে নিয়ে যেতে প্রস্তুত রিজার্ভ ব্রেন সনের ব্রার্জিং গেলাটিক। সাড়ে ৬শ টিকেট বিক্রির লক্ষ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

গেল কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভ্রমণেই মহাকাশে উড্ডয়ন।

এসএইচ-৩৩/১০/০৭ (অনলাইন ডেস্ক, তথ্যসূত্র : সময় টেলিভিশন)