শুরুর আগেই আইপিএল শেষ যাদের

আগামী ২২ মার্চ থেকে মাঠে গড়াচ্ছে আইপিএলের এবারের আসর। সপ্তাহ খানেকেরও কম সময় বাকি আছে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের। আসর শুরুর আগেই অবশ্য ছিটকে গেছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। এখনও পর্যন্ত সাতটি ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি পাচ্ছে না ১১ জন ক্রিকেটারকে। চোটের কারণে অনেকে খেলতেই পারবেন না। কারও কারও মাঠে ফেরা অনিশ্চিত। কেউ আবার সরে দাঁড়িয়েছেন নিজে থেকেই।

ডেভন কনওয়ে: নিউ জ়িল্যান্ডের ওপেনিং ব্যাটারকে আইপিএলের প্রথমার্ধে পাবে না চেন্নাই সুপার কিংস। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ়ে হাতের আঙুলে চোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর সুস্থ হতে আট সপ্তাহ লাগবে। তাই প্রাথমিক ভাবে কনওয়েকে ছাড়াই পরিকল্পনা করতে হচ্ছে মহেন্দ্র সিংহ ধোনিদের।

মাথিশা পাতিরানা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার এই পেসার। ডেথ ওভারে ধোনির অন্যতম ভরসার এই বোলারের সুস্থ হতে পাঁচ সপ্তাহ সময় লাগবে। তার বিকল্প হিসাবে আইপিএলের শুরুতে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে পরিকল্পনা করছে চেন্নাই।

হ্যারি ব্রুক: ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে মাঠের বাইরে ব্রুক। ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ়েও খেলেননি ইংল্যান্ডের হয়ে। আইপিএলে তাকে পাবে না দিল্লি ক্যাপিটালস। আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ব্রুক। তার বিকল্প হিসাবে এখনও কারও নাম ঘোষণা করেনি দিল্লি।

লুঙ্গি এনগিদি: দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসারকে এবারের আইপিএলে পাবে না দিল্লি। গোড়ালির চোটের জন্য গত জানুয়ারি থেকে মাঠের বাইরে রয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের নিলামে তাকে কিনেছিল দিল্লি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাদের হয়ে কোনও ম্যাচ খেলা হয়নি। তার বিকল্প হিসাবে অস্ট্রেলিয়ার তরুণ ব্যাটার ফ্রেজার ম্যাকগার্ককে নিয়েছে দিল্লি।

জেসন রয়: ইংল্যান্ডের ব্যাটারকে এবার পাচ্ছে না কলকাতা নাইট রাইডার্স। ব্যক্তিগত কারণে প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন রয়। গত মৌসুমে কেকেআরের হয়ে তিনি আটটি ম্যাচ খেলে ২৮৫ রান করেছিলেন। তার বিকল্প হিসাবে কেকেআর দলে নিয়েছে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ফিল সল্টকে।

গাস অ্যাটকিনসন: রয়ের মত ইংল্যান্ডের জোরে বোলার অ্যাটকিনসনকেও পাবে না কেকেআর। অতিরিক্ত ক্রিকেটের চাপ এড়াতে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন আইপিএল থেকে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পরামর্শেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যাটকিনসন।

সূর্যকুমার যাদব: গত ডিসেম্বরে জার্মানিতে হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার করিয়েছেন সূর্যকুমার। এখনও সম্পূর্ণ ফিট নন ভারতের আগ্রাসী এই ব্যাটার। আইপিএলের প্রথমার্ধে তাকে পাবে না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তবে প্রতিযোগিতার শেষ দিকে হার্দিক পান্ডিয়ার দলের হয়ে খেলতে পারেন।

দিলশান মাদুশঙ্কা: হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভুগছেন শ্রীলঙ্কার এই পেসার। বাংলাদেশ সফরে গিয়ে তিনিও চোট পেয়েছেন পাতিরানার মতো। সুস্থ হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে মদুশঙ্কার।

মোহাম্মদ শামি: ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় থেকে গোড়ালির চোটে ভুগছেন এই পেসার। কিছু দিন আগে লন্ডনে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। তারপরও আইপিএলে খেলা হচ্ছে না তার। এরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলতে পারবেন না শামি। গত আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক ছিলেন শামি। তাকে না পাওয়া নিশ্চিত ভাবে শুভমন গিলের দলের বড় ক্ষতি।

প্রসিধ কৃষ্ণা: চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। কর্নাটকের এই পেসারকে পাবে না রাজস্থান রয়্যালস। ফেব্রুয়ারি মাসে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে তাকে। মাঠে ফিরতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে তার।

মার্ক উড: ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন উড। ফলে তাকে পাবে না লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস।

এসএ-০৬/১৭/২৪(স্পোর্টস ডেস্ক)