সরকারি গাড়ি অবৈধভাবে ব্যবহার করছিলেন সাবেক সিবিএ সভাপতি

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯ আপডেটঃ ১০:০৭ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের কর্মচারী কর্তৃক প্রাধিকারবহির্ভূতভাবে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতিসাধনের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা গেছে, দুদক কেন্দ্রে অভিযোগ আসে সাবেক সিবিএ সভাপতি একটি নিশান গাড়ি ২০০৯ সাল থেকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে আসছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়ের রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান চালায়।

অভিযানকালে দুদক টিম পরিবহন পুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তাকে সচিবের অনুমোদন ব্যতিরেকে দফতরে অনুপস্থিত পায়। পরবর্তীতে দুদক টিম পরিবহন পুলের এক কর্মকর্তার কক্ষে সরেজমিন অভিযানে গিয়ে ওই গাড়ির তিনটি আসল এবং তিনটি ডুপ্লিকেট করা লগ বই উদ্ধার করে।

দুদক টিম ছয়টি লগ বই এবং ওই গাড়ির চাবি কর্পোরেশনের সচিবের কাছে জমা প্রদান করে এবং পরবর্তীতে কমিশন এ বিষয়ে অনুসন্ধানের অনুমতি দিলে অনুসন্ধান কার্য সম্পন্ন করার স্বার্থে সত্যায়িত কপি সংগ্রহ করে। অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে দুদক টিম।

এছাড়া চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি করতে হয়রানির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ থেকে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক টিম। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের দাগ নম্বর হাতে ঘষে পরিবর্তন করার প্রমাণ পায় দুদক টিম। এছাড়া অপর একটি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নামজারি মামলার নথি দুদক টিমের উপস্থাপন করতে পারেনি ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ। এ অনিয়মের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে দুদক টিম।

এদিকে সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় সরকারি টোল আদায় বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) অভিযোগ আসে, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা আদায় করলেও ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করছেন।

অভিযোগ পেয়ে তৎপ্রেক্ষিতে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেটের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। টিম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে। নথিপত্র বিশ্লেষণপূর্বক কমিশনের সিদ্ধান্ত চেয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রদান করবে অভিযান পরিচালনাকারী টিম।

এছাড়া রাস্তা সংস্কারের কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে এবং অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এনএটিপি প্রকল্পের মাঠ দিবসের প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-২ থেকে ২টি পৃথক এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

বিএ-১৫/০৮-০৯ (ন্যাশনাল ডেস্ক)