আদালতে গিয়ে অনাপত্তি অন্ত:সত্ত্বা প্রেমিকার, ধর্ষক প্রেমিকের জামিন

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯ আপডেটঃ ১০:২০ অপরাহ্ন

ধর্ষক প্রেমিকের জামিনে আপত্তি জানালেন ধর্ষণের শিকার সহপাঠি প্রেমিকা। সাত মাসের অন্তসত্ত্বা ওই নারী রোববার মহানগর ও দায়রা জজ মো: শহীদুল ইসলামের আদালতে হাজির হয়ে হলফমানা দেন-জামিনে আপত্তি নেই।

এরই পরই জামিন মেলে ধর্ষক শিঞ্জন রায়ের। শিঞ্জন খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার বাব খুলনার কর কমিশনার সুশান্ত কুমার।

চাপের মুথে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বয়ান দিয়েছেন কি-না তা নিয়েও চলছে কানাকানি।

জানা গেছে, প্রেমিকা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকার পরও ১৪ আগস্ট অন্যত্র বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়, কিন্তু ১৬ আগস্ট তার বৌভাতের নির্দিষ্ট দিনের আগে প্রেমিকার দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এই মামলায় সে খুলনা জেলা কারাগারে আটক ছিল।

শিঞ্জন রায়ের অন্যতম কৌশলী অ্যাডভোকেট রজব আলী জানান, রোববার ছিল এই মামলার জামিনের শুনানীর ধার্যকৃত দিন। শিঞ্জন রায়ের আদালতে অনুপস্থিতে জামিনের শুনানী শুরু হয়।

এই সময় মামলার বাদী শিঞ্জন রায়ের প্রেমিকা, তারা মা বাবাকে সাথে নিয়ে আদালতে উপস্থিত হয়। বাদী আদালতকে লিখিত ভাবে জানায় যে, আসামি শিঞ্জন রায়ের জামিন দিলে তার কোন আপত্তি নাই।

রজব আলী জানান, বাদীর সাথে কি সমঝোতা হয়েছে কিনা তা তার জানা নেই। তবে বাদী মামলা করে ভুল করেছে তা বলতে পারে।

এই সময় আসামি পক্ষে খুলনা আইনজীবী সমিতির খ্যাতনামা আইনজীবী জামিনের পক্ষে নানা যুক্তি প্রদর্শন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষ আদালতের বিচারক মো: শহিদুল ইসলাম ১০ হাজার টাকা বন্ডের জামিন নামায় জামিন প্রদন করেন। এ ব্যাপারে সরকারি পক্ষের কৌশলী অ্যাডভোকেট কে এম ইকবালকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমতাজুল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তিনি কিছু জানেন না।

জামিন দেবার এখতিয়ার মহানগর ও দায়র জজ আদালতে রয়েছে। তাকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান কিছু জানায়নি।

তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে কথা বলবেন বলেও জানান।

বিএ-১৭/০৮-০৯ (আঞ্চলিক ডেস্ক)