সকাল ৯:৫০
শুক্রবার
২১ শে জানুয়ারি ২০২২ ইংরেজি
৮ ই মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
১৭ ই জমাদিউস-সানি ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখেন কুয়েত জাতীয় দলের ক্রিকেটার

বাবা বাংলাদেশি, মা শ্রীলঙ্কান। জন্ম ও বেড়ে উঠা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে। তবুও মনেপ্রাণে নিজেকে একজন বাংলাদেশি বলেই মনে করেন। বলা হচ্ছে, কুয়েত জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য মুর্শিদ মোস্তফার কথা। ২০১৯ সালে দেশটির হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে তার। এরই মধ্যে বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন। কিন্তু তার মন পড়ে রয়েছে সোনালি পাড়ের দেশ বাংলাদেশে।

কখনো সুযোগ পেলে জাতীয় দলের জার্সিটা গায়ে চাপাতে চান। খেলতে চান বাংলাদেশের হয়ে। সম্প্রতি সিলেটের বড়লেখায় নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। সেখান থেকেই সময় সংবাদের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ হয়েছে। মুর্শিদ মোস্তফার ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্নের কথা শুনেছেন মো. ফখরুল ইসলাম।

২০০৬ সালে ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় মুর্শিদ মোস্তফার। কুয়েত অনূর্ধ্ব-১৬ ও ১৯ দলে ভালো খেলে কুয়েত জাতীয় দলের নির্বাচকদের নজরে আসেন। ২০১৮ সালে জায়গা করেন জাতীয় দলে। পরের বছর মালদ্বীপের বিপক্ষে তার অভিষেক হয়। তবে স্বপ্ন দেখেন একদিন তিনি বাংলাদেশের হয়ে খেলবেন।

বাংলাদেশে কেমন কাটছে?

মুর্শিদ মোস্তফা : আলহামদুলিল্লাহ, ভালো লাগছে। এইতো কিছুক্ষণ আগে ফার্স্ট ডিভিশনের একটা ম্যাচ খেলে এসেছি সিলেট স্টেডিয়াম থেকে। আল্লাহর রহমতে সেখানে ম্যাচসেরা হয়েছি। আর এটাই বাংলাদেশের মাটিতে আমার প্রথম ম্যাচ ছিল।

কুয়েত জাতীয় দল এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো করছে। ২০১০ সালের পর থেকে আইসিসির সহযোগী সদস্য এই দেশটি বিশ্বের বিভিন্ন লিগে নিয়মিত খেলছে। আপনি সেখানে ক্যারিয়ার গড়ার চেয়ে বাংলাদেশে আসতে চান কেন?

মুর্শিদ মোস্তফা : দেখেন, আমার বাবা একজন ব্যবসায়ী। আর তার চেয়ে বড় কথা তিনি বাংলাদেশের মানুষ। তিনি আমাকে সবসময়ই বলেন, বাবা আমার জীবনের একটাই স্বপ্ন, তুমি বাংলাদেশের হয়ে খেলবা। আর তাই আমার বাবার এ স্বপ্ন পূরণ করতেই বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চাই।

আমরা সাধারণত দেখি, আইসিসির সহযোগী সদস্যদেশগুলোতে সেভাবে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার কম থাকে। অনেক দলে তো এমনই হয় যে, ক্রিকেটারদের অনেকে পাশাপাশি অন্য পেশার সঙ্গেও যুক্ত থাকেন। কুয়েতে সিস্টেম কেমন?

মুর্শিদ মোস্তফা : আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ওখানে (কুয়েত) এক্ষেত্রে ভালো। সেখানে প্রতিবছর ২০ জন করে ক্রিকেটারকে চুক্তিবদ্ধ করা হয়। আল্লাহর রহমতে গত তিন বছর ধরে আমি সেই তালিকায় আছি। এখনো চুক্তিতেই আছি।

আপনি বিপিএল নিয়ে আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন। কোনো ফ্রাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখিয়েছে?

মুর্শিদ মোস্তফা : না, এখনো কেউ আগ্রহ দেখায়নি। আর আমিতো সরাসরি জাতীয় দলে সুযোগ পাব না। আগে আমাকে বিপিএল বা অন্য ঘরোয়া লিগে আগে খেলতে হবে। তারপর হয়ত জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে একটা সম্পর্ক হবে। সবাই চিনবে, জানবে।

আপনি তো অলরাউন্ডার। বাংলাদেশের কাউকে আইডল মানেন?

মুর্শিদ মোস্তফা : আমি বাংলাদেশের খেলা নিয়মিত ফলো করি। সাকিব ভাই, মাহমুদউল্লাহ ভাইসহ সবার খেলাই ভালো লাগে।

দেশে কি বেড়াতেই আসছেন, নাকি অন্য উদ্দেশ্য আছে?

মুর্শিদ মোস্তফা : আমি আসলে দেড়মাসের ছুটিতে এখানে এসেছি। এই যে সিলেটে আজকে খেললাম। এভাবে যদি আরও সুযোগ পাই, তাহলে আরও কিছুদিন থাকব।

এসএইচ-৩০/২০/২২ (স্পোর্টস ডেস্ক)

নায়িকা মাহির স্বামী ‘বাহুবলি’!

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি তার স্বামীকে বাহুবলি আখ্যায়িত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন- ‘তুমিই আমার বাহুবলি’।

মাহি ক্যাপশনের নিচে স্বামী রাকিব সরকারকে মেনশন করেছেন। মাহি আরো লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, তুমি থাকতে কেউ কোনোদিন আমাকে অসম্মান করতে পারবে না। বটবৃক্ষের মতো এভাবেই মাথার ওপরে থেক।’

অগ্নিকন্যা খ্যাত অভিনেত্রী মাহি সম্প্রতি ওমরা শেষে দেশে ফিরে এসেছেন। পাশাপাশি দেশের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। মাহি-রাকিবের দাম্পত্য জীবনের রসায়ন বেশ জমে উঠেছে যা মাহির ফেসবুক ঘুরে আসলে বোঝা যায়। স্বামীর সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে থাকেন। মাহির সাথে তার স্বামীর সম্পর্ক বেশ মধুর তা বোঝায় যাচ্ছে।

এদিকে গেল ১৫ জানুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নামের সঙ্গেও স্বামীর নাম জুড়ে দিয়েছেন এই নায়িকা। ফেসবুকে তার নাম মাহিয়া মাহি থাকলেও তিনি তা পরিবর্তন করে রেখেছেন মাহিয়া সরকার মাহি।

উল্লেখ্য, গেল বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের সরকার পরিবারের অন্যতম সদস্য কামরুজ্জামান সরকার রাকিবের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন মাহিয়া মাহি।

এসএইচ-২৯/২০/২২ (বিনোদন ডেস্ক)

উচ্চ স্বরে কথা বলায় চাকরি গেল

কেউ উচ্চ স্বরে কথা বললে অন্যের বিরক্তি লাগাটাই স্বাভাবিক। এর জন্য বড়জোর তাকে থামতে বলা যায়, বিরক্তি প্রকাশ করা যায়। কিন্তু তাই বলে চাকরি চলে যাওয়া ঘটনা বিরল।

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এমনই ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাজ্যে। ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার-এর শিক্ষিকা অ্যানেট প্লাউট ৩০ বছর ধরে ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার-এর পদার্থবিদ্যা বিভাগে পড়াচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে ‘জোরে কথা বলা’র অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, পিএইচডিরত দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার জন্যই তাকে বরখাস্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বরখাস্তের সাথে তার জাতি, যোগ্যতা বা লিঙ্গের কোনও সম্পর্ক ছিল না।

৬০ বছর বয়সী অ্যানেট জানান, মধ্য-ইউরোপীয় ইহুদি হওয়ার কারণে স্বাভাবিক ভাবেই তার ‘উঁচু’ কণ্ঠস্বর। আর এই কারণেই তাকে বরখাস্ত করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
বিতর্কিত এই বরখাস্তের পরে, অ্যানেট বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অসচেতন এবং পক্ষপাতদুষ্ট বলে বর্ণনা করেন।

তিনি জানান, এর আগে যখন তিনি নিউইয়র্ক এবং জার্মানিতে থাকতেন ও কাজ করতেন তখন তার উচ্চস্বর নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না।

পরে তিনি ক্ষতিপূরণ দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারক সব শুনে অ্যানেটের পক্ষেই রায় দেন। পুনর্নিয়োগের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় যাতে অ্যানেটকে ১ লাখ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেয়, তারও নির্দেশ দেন আদালত।

এসএইচ-২৮/২০/২২ (অনলাইন ডেস্ক)

প্রতিবেশির কমোডের ফ্লাশের জ্বালায় আদালতে অতিষ্ঠ দম্পতি

ঘটনাটি ইতালির। একটি পরিবারখুব যত্ন করে সাজিয়েছিল তাদের ফ্ল্যাট। চার ভাই এক সঙ্গে থাকত সেই ফ্ল্যাটে। কিন্তু একটা খুঁত থেকে গিয়েছিল, যা কিনা তাদের শেষ পর্যন্ত আদালতের দরজায় টেনে নিয়ে গিয়েছে। তা-ও আবার প্রতিবেশীদের অভিযোগের ভিত্তিতে।

জানা গেছে, ওই ফ্ল্যাটেরই পাশেরটায় থাকেন এক দম্পতি। তাদের অভিযোগ- রাত্রিবেলায় পাশের ফ্ল্যাটের কমোডের ফ্লাশে এত জোরে আওয়াজ হয় যে তাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। প্রতিরাতে এমনটা হওয়ায় রীতিমতো বিরক্ত দম্পতি আদালতের দ্বারস্থ হন।

তারা দাবি করেন, পাশের ফ্ল্যাটের কমোডের ফ্লাশের আওয়াজ কমাতে হবে এবং এই আওয়াজের কারণে এত দিন তাদের যে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেছে তারও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

আদালত তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং দেখা যায়, দম্পতির অভিযোগই ঠিক। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন চার ভাই। কিন্তু আদালত ওই দম্পতির পক্ষেই রায় দেন। আদালত বলেন, কমোডের ফ্ল্যাশের আওয়াজ দম্পতির জীবনের ওপর প্রভাব ফেলছে।

তাদের পারিবারিক এবং গোপনীয়তা ভঙ্গ হচ্ছে- যা কখনওই হওয়া উচিত নয়। ২০০৩ সালে ওই ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন চার ভাই। তারপর থেকেই প্রতিবেশী দম্পতি অভিযোগ তোলে ফ্লাশের আওয়াজের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা সমস্যার অবশেষে সমাধান হল আদালতের হস্তক্ষেপে।

এসএইচ-২৬/২০/২২ (অনলাইন ডেস্ক)

পপি আছেন, পপি নেই!

গেল এক বছর খোঁজ মিলছে না ঢাকাই সিনেমার গ্ল্যামার কন্যা খ্যাত নায়িকা পপির। তাকে নিয়ে নেই গুঞ্জনের কমতি। কেউ বলছেন তিনি বিয়ে করে সংসারি হয়েছেন, আবার কেউ বলছেন সন্তানের মা হওয়ার কারণে শোবিজ থেকে অনেক দূরে তিনি।

শোবিজে কানাঘুষা চলছে, পপি এক ব্যবসায়ীকে গোপনে বিয়ে করেছেন। দেশের বাইরে সন্তানের জন্ম দিয়ে, দেশে ফিরে সন্তানকে নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন ‘লালবাদশা’র এই নায়িকা। গুঞ্জন উঠে গত বছরের নভেম্বরে মা হয়েছেন তিনি।

শুরুতে শোনা যাচ্ছিল, রাজধানীর একটি হাসপাতালে পুত্র সন্তানের মা হন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই গতকাল গুঞ্জন উঠে, পুত্র সন্তান নয় কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে তার ঘনিষ্ঠজনেরা বরাবরই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে পপির সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি এই অভিনেত্রীর ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি গতবছর থেকেই বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও তার প্রোফাইলটিতে দীর্ঘদিন থেকেই আসেন না তিনি।

এক সময়ের এই হিট নায়িকা আড়াল হলেও কারও মন থেকে তিনি মুছে যাননি। তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা। আগামী ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিরি নির্বাচন। সেই নির্বাচন ঘিরেও পপিকে নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে আসবেন নাকি আসবেন না। কিন্তু পপি যে শোবিজের মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখছেন না তা এই নির্বাচনের মাধ্যমে জানা গেল। নির্বাচনের প্রার্থীরা তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার সাথে কেউ যোগাযোগ করতে পারেননি। তবে পপি যে কারো মন থেকে আড়াল হননি সেকথা এই নির্বাচনেই জানা গেল।

চলচ্চিত্রের অনেকেই বলছেন, মা হওয়ার বিষয়টি আনন্দদায়ক। এটা গোপন করার তো কিছু নেই। মা তো নির্মল আনন্দ আর অনুভূতির নাম। তবে কেনও পপি হাজির হচ্ছেন না। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন পপি মা হওয়ার কারণে প্রকাশ্যে আসছেন না নাকি অন্য কোনো রহস্য বাধা বেধেছে তার জীবনে?

এসএইচ-২৫/২০/২২ (বিনোদন ডেস্ক)

শর্ত পূরণে ব্যর্থ সাকিব, পিপলস ব্যাংকের আবেদন বাতিল

লেটার অব ইনটেন্ডের (এলওআই) শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় পিপলস ব্যাংকের আবেদন বা‌তিল করে‌ছে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ‌য়।

আবেদন বাতিল হওয়া সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত ব্যাংক‌টির এলওআইয়ের মেয়াদ ২০২১ সা‌লের ডি‌সেম্বর পর্যন্ত ছিল। নির্ধা‌রিত সম‌য়ে যে‌হেতু তারা শর্ত পূরণ কর‌তে পা‌রেনি তাই তা‌দের সময় বাড়া‌নোর আবেদন বা‌তিল করা হ‌য়ে‌ছে।

এর আগে পিপলস ব্যাংকের প্রধান উদ্যোক্তা এমএ কাশেম একটি জাতীয় পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, পিপলস ব্যাংকের মালিকানায় সাকিব আল হাসান ও তার মা যুক্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে আমরা তাদের ফাইল বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। সাকিবের মতো একজন তারকাকে উদ্যোক্তা হিসেবে পাওয়া আমাদের জন্য গৌরবের। এখনই আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। পিপলস ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে আমরা চূড়ান্ত লাইসেন্স পাব।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিটি ব্যাংকের মূলধন ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার নির্দেশনা দিয়েছে। কেউ যদি উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে জায়গা করে নিতে চান তাকে সর্বনিম্ন দুই শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে হবে। এক্ষেত্রে সাকিব আল হাসানকে পিপলস ব্যাংকের প্রতিটি পরিচালক পদের জন্য সর্বনিম্ন ১০ কোটি টাকা মূলধন জোগান দিতে হতো।

রেস্টুরেন্ট ব্যবসা দিয়ে ব্যবসায় হাতেখড়ি হয় সাকিব আল হাসানের। এরপর এ খাতে তিনি আর থেমে থাকেননি। স্বর্ণ আমদানি ও বিপণন, শেয়ারবাজার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রসাধনী, ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, কাঁকড়া ও কুঁচের খামারসহ বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন তিনি। কেবল দেশে নয় দেশের বাইরেও বড় বড় বিনিয়োগ রয়েছে সাকিব আল হাসানের।

এ ছাড়াও দেশের শেয়ারবাজারে সাকিব আল হাসান একটি আলোচিত নাম। পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করছেন তিনি। চলতি বছরে মে মাসে একটি ব্রোকারেজ হাউসের অনুমোদন নিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

এসএইচ-২৪/২০/২২ (স্পোর্টস ডেস্ক)

খুলনায় শিক্ষার্থীদের টিকাদান বন্ধ!

আইডি কার্ড দেখালেই শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগরীর ৬টি কেন্দ্রের কোথাও টিকা দেওয়া হয়নি। কিছু কিছু কেন্দ্রে টিকা দিতে গিয়ে ফিরে গেছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা বিভাগ থেকে ১২ থেকে ১৮ বছরের শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকার প্রথম ডোজ দিয়ে শ্রেণিকক্ষে যাওয়ার নির্দেশনা ছিল।

চারদিন বাড়িয়ে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত খুলনার অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখনও কিছু শিক্ষার্থী টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেননি।

বৃহস্পতিবার তাদের অনেকেই খুলনার নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা নিতে আসলেও তাদের টিকা না নিয়েই ফিরে যেতে হয়েছে।

খুলনার নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে খালিশপুর রোটারি স্কুল থেকে টিকা দিতে আসা অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, আমি নির্ধারিত দিনে টিকা দিতে পারিনি। স্কুল থেকে আজ আমাকে এখানে টিকা দেয়ার জন্য আসতে বলা হলেও আমাকে টিকা দেওয়া হয়নি। কারণও বলেনি কেনো টিকা দেওয়া হচ্ছে না। আমাকে শনিবার যেতে বলা হয়েছে।

একই স্কুলের আরেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, আগে একদিন এসে ভিড় দেখে ফিরে গিয়েছিলাম, আর আজও তো টিকা দিল না।

টিকা কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, শিক্ষা অফিস থেকে কোনো শিডিউল না থাকায় আজ শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে না।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক স্বপন কুমার হালদার বলেন, শিক্ষা অফিস থেকে প্রতিদিন আমাদের যেসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের তালিকা দেওয়া হয়, আমরা সেই অনুযায়ী টিকা দেই। আজ কোনো শিডিউল আমাদের পাঠানো হয়নি। তবে এরইমধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে আমরা প্রথম ডোজের টিকা দিতে পেরেছি।

এদিকে খুলনা সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, আগামী শনিবার থেকে শিক্ষার্থীদের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হবে। একইসঙ্গে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরাও টিকা দিতে পারবে।

খুলনা সিটি করপোরেশেনের তত্ত্বাবধানে খুলনা মহনগরীর ৬টি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন উপজেলা মিলে মোট ১৫টি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

এসএইচ-২৩/২০/২২ (শিক্ষা ডেস্ক)

লাইবেরিয়ায় পদদলিত হয়ে গর্ভবতী, শিশুসহ ২৯ জনের প্রাণহানি

লাইবেরিয়ার পদদলিত হয়ে গর্ভবতী নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির রাজধানী মনরোভিয়ায় এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার দেশটির পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদদলিত হয়ে এই মৃত্যুর ঘটনা স্থানীয় সময় বুধবার রাত অথবা বৃহস্পতিবার সকালে ঘটে।

লাইবেরিয়া পুলিশের মুখপাত্র মোসেস কার্টার বলেছেন, প্রাণহানির এই হিসাব আংশিক। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এসএইচ-২২/২০/২২ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক)

উপাচার্যের পদত্যাগ ছাড়া কোনো দাবি নেই

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা রাষ্ট্র কারো মাধ্যমে তদন্ত চান না শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের একমাত্র দাবি, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ। এই দাবিতেই আমরণ অনশন ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া পুলিশ ক্যাম্পাসে ভেতরে অবস্থান কিংবা শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করতে পারে না। তাই শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার দায়ভার উপাচার্যকেই নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্দোলনরতদের সঙ্গে আলোচনা করাতে আসেন শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় শিক্ষকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।

তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ না করায় শিক্ষকদের ফিরিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরে বেলা আড়াইটায় পুনরায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে আসেন শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল। তখনও শিক্ষকদেরকে ফিরিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, বুধবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেন শতাধিক শিক্ষক। তাদের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন ও প্রতিবাদরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক আসেন।

এ সময় তারা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানে আহ্বান জানাতে চাইলে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে একমত না হলে কোনো প্রস্তাবে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানান। প্রায় আধা ঘণ্টা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে স্থান ত্যাগ করেন শিক্ষকরা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় পুলিশ। এরপর ঐ হলের প্রভোস্ট অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেও পুলিশি হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

এসএইচ-২১/২০/২২ (শিক্ষা ডেস্ক)

যশোরের বাঁধাকপি রফতানি হচ্ছে বিদেশে

যশোর থেকে বিদেশে রফতানি হচ্ছে নিরাপদ ও বালাইমুক্ত বাঁধাকপি। করোনা মহামারির এ বিপর্যয়কালে ভাল দামে বিদেশে সবজি রফতানি করতে পারায় খুশি কৃষকরা। এ উদ্যোগ কৃষকের উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার বাঁধাকপি রফতানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র।

যশোর জেলায় প্রতি বছর প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজির চাষাবাদ হয়। তবে এ বছর ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা। তারপরও যে সবজি ক্ষেতে রয়েছে, তা থেকে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে বেসরকারি সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন ও সলিডরেটির উদ্যোগে এ রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, যে সময় সবজির দাম কমে গেছে, ঠিক সে সময় সবজি বিদেশে রফতানি করায় তারা লাভবান হচ্ছেন।

এ বিষয়ে সালাম শেখ নামের একজন চাষি বলেছেন, শীতকালে বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করি। এ বছর বৃষ্টিপাতের কারণে সবজির উৎপাদন কম হয়েছে। তাছাড়া এখন সবজির দামও কমে গেছে। এখন আড়াই কেজির একটি বাঁধাকপি মাত্র ৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেখানে রফতানিকারকরা আমাদের কাছ থেকে প্রতি পিস বাঁধাকপি ১০ টাকা দরে কিনছেন। এতে আমরা লাভবান হচ্ছি।

আরেকজন চাষি আব্দুর রশিদ বলেন, যে সময় বাঁধাকপি ফেলে দিতে হয় বা গরুকে খাওয়ানো হয়, ঠিক সে সময় রফতানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে করে আমাদের আয় বেড়েছে। সেই সঙ্গে দামও ভাল পাচ্ছি। বাঁধাকপির মত অন্যান্য সবজি রফতানি শুরু হলে কৃষকরা আরও লাভবান হবেন।

গ্রামের ২৩০ জন কৃষক বাঁধাকপি রফতানির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল উল্লেখ করে কৃষক শাজাহান আলী বলেছেন, বৃষ্টির কারণে অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। এ বছর ১৩০ জনের মতো বাঁধাকপি দিতে পেরেছেন। আমাদের ১ হাজার ৫০০ টন বাঁধাকপি দিতে হবে। আশা করছি সময়মত সবটাই দিতে পারব।

এ দিকে রফতানিকারকরা জানিয়েছেন, বিদেশের বাজারে সবজির ব্যাপক চাহিদা থাকায় চাষি পর্যায় থেকে সবজি সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। থিংক্স টু সাপ্লাই এর কর্মকর্তা কাজল বখতিয়ার বলেছেন, গত বছর আমরা ৬০০ টন বাঁধাকপি মালয়েশিয়া ও সিংগাপুরে পাঠিয়েছিলাম। আমাদের দেশের সবজির মান ভাল হওয়ায় এ বছর চাহিদা বেশি। কেবল আমাদের প্রতিষ্ঠানেরই ১ হাজার টন বাঁধাকপির ক্রয়াদেশ আছে। একই সঙ্গে বাঁধাকপির পাশাপাশি অন্যান্য সবজি রফতানিরও প্রচেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বলেছেন, রফতানির এ উদ্যোগ কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে করোনাকালে সবজি উৎপাদন ও বাজারজাত নিয়ে কৃষকরা বেশ উদ্বিগ্ন ছিলেন। তাছাড়া আবহাওয়াজনিত কারণেও ক্ষতির শিকার হয়েছেন তারা। অসময়ে ভাল দামে সবজি বিক্রি হওয়ায় তারা কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকে যশোর জেলার বিভিন্ন ধরনের সবজি বিদেশে রফতানি শুরু হয়েছে।

এসএইচ-২০/২০/২২ (আঞ্চলিক ডেস্ক)