বিকাল ৫:২৭
শনিবার
২৫ শে সেপ্টেম্বর ২০২১ ইংরেজি
১০ ই আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
১৭ ই সফর ১৪৪৩ হিজরী

ঢাকায় কবে চালু হচ্ছে ফাইভ-জি

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলাদেশে ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে, ডিসেম্বর মাসে কোনো একদিনে উদ্বোধন করা হবে পঞ্চম প্রজন্মের এই নেটওয়ার্ক।

মন্ত্রী শনিবার অনলাইনে আয়োজিত ‘ফাইভজি ইকোসিস্টেম ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড আপকামিং টেকনোলজিস’ শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশে ৫জি চালুর জন্য অনেক দিন ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটি হুট করে চালু হচ্ছে না। তবে তারিখটা সঠিক বলা যাচ্ছে না। ডিসেম্বর মাসে অনেক উৎসবের দিন রয়েছে, সেসব দিনের মধ্যে একটা দিনে উদ্বোধন করা হবে।

তিনি বলেন, অনেক বিনিয়োগকারী জিজ্ঞাস করে যে আমাদের ৫জি দিতে পারবে কিনা। এ কারণে আমাদের পরিকল্পনায় শিল্পপণ্য তৈরি প্রতিষ্ঠান যেন ফাইভজি সেবা ভালোভাবে পায় সেটাও নিশ্চিতের প্রস্তুতি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ৫টি ইকোনমিক জোনে ৫জি নেটওয়ার্ক দেওয়ার কাজ চলছে। আমাদের অনেক পার্টনার রয়েছে তাদের কথাও আমরা চিন্তা করছি। সবকিছু মিলিয়ে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ৫জি কে ঘিরে জনগণের প্রয়োজন ও চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বিভিন্ন প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার তথ্য তুলে ধরেন।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ব্রডব্যান্ড ব্যান্ডউইথ পলিসি তৈরির কাজ চলছে। ডিসেম্বরে এর প্রথম খসড়া হবে। মার্চ-এপ্রিলে পলিসটি চূড়ান্ত করা হবে। তবে তার আগে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বসব।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ফাইভ-জি ব্যবস্থাপনার জন্য টেলিটকের মাধ্যমে ২০২১ সালে প্রথমে ঢাকা সিটিতে ফাইভ জি চালু হবে। এরপরে অন্যান্য অপারেটরদের নিয়ে ২০২২ সালে সারাদেশে ফাইভ জি চালু হবে।

বিটিআরসির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ফাইভ-জি চালুর সব প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। চলতি বছরেই ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে টেলিটক এই সেবা চালু করবে। আর টিআরএবির পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়, ফাইভ জির জন্য আলাদা ব্রান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে। সঞ্চালনায় ছিলেন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী।

আলোচনায় অংশ নেন বিটিআরসির কমিশনার এ কে এম শহীদুজ্জামান, টেলিটক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহাব উদ্দীন, বাংলালিংক সিইও অ্যান্ড চেয়ারম্যান এমটব এরিক অস, গ্রামীণফোন সিইও ইয়াসির আজমান, রবি ভারপ্রাপ্ত সিইও, রিয়াজ রশীদসহ আরও অনেকে।

এসএইচ-২১/২৫/২১ (প্রযুক্তি ডেস্ক)

ধোনির নতুন নামকরণ!

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে (আরসিবি) হারানোর ম্যাচে আলোচনায় এমএস ধোনির মস্তিষ্ক। তার দুরন্ত ক্রিকেটীয় বুদ্ধিতেই শুক্রবার বিরাট বাহিনীর বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে চেন্নাই সুপার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বছরখানেক আগে বিদায় জানিয়েছেন ধোনি। কিন্তু তার মগজে যে এক ফোঁটাও জং ধরেনি, তার ফের একবার প্রমাণ মিলল সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

এদিন, টসে জিতে বিরাট কোহলির টিমকে ব্যাটিংয়ে পাঠান মহেন্দ্র সিং ধোনি। চেন্নাই সুপার কিংসের টিমে কোনো পরিবর্তন হয়নি। দু’টি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে কোহলিরা। জেমিসনের জায়গায় দলে ঢুকেন টিম ডেভিড। তার অভিষেক হয় এই ম্যাচে। নবদ্বীপ সাইনির ঢুকেন সচিন বেবির জায়গায়।

শুরু থেকেই মেজাজে দেখা যায় আরসিবি ক্যাপ্টেন কোহলিকে। সাজঘরে ফেরার আগে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন কোহলি। ৪১ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। ৫০ বলে ৭০ করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পাডিকল। বাকিরা তেমন হাল ধরতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ধোনির দলকে ১৫৭ রানের টার্গেট দেয় কোহলির দল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও রানের চাকা সচলই ছিল চেন্নাইয়ের। দলীয় ১১৮ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন মঈন আলি। ১৮ বলে ২৩ রানের কার্যকর ইনিংসে হার্শাল প্যাটেলের বলে কাটা পড়েন তিনি। এরপর ফেরেন আম্বাতি রাইডুও। ভালো ছন্দে ছিলেন কিন্তু ৩২ রান করে হার্শালের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি।

মঈন-রাইডুর পর দলের হাল ধরেন দলীয় কাপ্তান ধোনি এবং সুরেশ রায়না। তাদের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় চেন্নাই সুপার কিংস। শেষ পর্যন্ত ধোনি অপরাজিত ছিলেন ১১ আর সুরেশ রায়না ১৭ রানে। আর এ জয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে তারা।

মূলত ধোনির ক্রিকেটীয় বুদ্ধিতেই চেন্নাই ধরাশায়ী করল বেঙ্গালুরুকে। ম্যাচ শেষে ধোনির প্রশংসায় মোহিত তার সাবেক সতীর্থ পার্থিব প্যাটেল। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সম্প্রচারকারী চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পার্থিব বলেন, ধোনি বহু বছর ধরে ক্রিকেট খেলছেন। তিনি ম্যাচের পরিস্থিতি দুর্দান্ত বুঝেন। পিচ পড়ে ফেলার ক্ষেত্রেই ধোনি শুধু মাস্টার নয়, সে বোলারদের থেকে সেরাটা বের করে আনার ক্ষেত্রেও মাস্টার। ও খুব ভালোভাবে জানে কীভাবে ব্রাভো, শার্দুল ঠাকুর ও দীপক চাহারদের থেকে সেরা বোলিং করিয়ে নিতে হয়।

আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের মেন্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ধোনিকে। সেই প্রসঙ্গে পার্থিবের সংযোজন, এই জন্যই ধোনি মেন্টর সিং ধোনি। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার যে ধোনিকে সবাই বিশ্বাস করে। যখনই ভালো কোনো পরিকল্পনা করা হয়, তখন ধোনির ওপর সবার আস্থা থাকে। ওর সাফল্যের সঙ্গেই রয়েছে দুরন্ত অভিজ্ঞতা।

ধোনির অতি বড় সমর্থকও ভাবতে পারেননি যে, ফের ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমে পাওয়া যাবে তাকে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) মাস্টারস্ট্রোকে কার্যত নড়ে গেছে ধোনি ও ভারতীয় ক্রিকেটের ভক্তরা। আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণার সঙ্গেই বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে, মরুদেশে বিরাট কোহলিদের মেন্টর হিসেবে থাকছেন কিংবদন্তি ধোনি। আইপিএলে ধোনির ক্যাপ্টেনসি বুঝিয়ে দিয়েছে, কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে তার মাথা ভারতীয় দলের কাছে কত বড় সম্পদ হতে যাচ্ছে।

এসএইচ-২০/২৫/২১ (স্পোর্টস ডেস্ক)

বিমানবন্দরে ল্যাব প্রস্তুত, রাতে ১০০ জনের ট্রায়াল

যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার জন্য শতভাগ প্রস্তুত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বসানো ল্যাব। সিভিল এভিয়েশন এখন এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে কথা বলে ফ্লাইট শিডিউল ঠিক করলেই যেতে পারবেন দুবাই যাত্রীরা।

এমনটি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা। শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল টিম কর্তৃক বিমানবন্দরের এক নম্বর টার্মিনালের ভেতরে বসানো ল্যাবগুলো পরীক্ষা করার পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

নাসিমা সুলতানা জানান, সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। তবে শনিবার রাতে বিমানবন্দরে অবস্থানরত কর্মকর্তা কর্মচারী ১০০ জনের পরীক্ষামূলক করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হবে। এসবের চূড়ান্ত কার্যক্রম শেষে আজকেই সিভিল এভিয়েশনকে জানানো হবে। সিভিল এভিয়েশন এয়ারলাইন্সগুলোর সাথে কথা বলে ফ্লাইট শিডিউল ঠিক করলে যাত্রীরা পরীক্ষা সাপেক্ষে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, ৪৮ ঘণ্টা আগে একবার করোনা নেগেটিভ রেজাল্ট সাপেক্ষে যাত্রীরা দ্বিতীয়বারের মতো বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা করাবেন। আরটিপিসিআর ও র‌্যাপিড পিসিআর দুই সুবিধায় পাবেন যাত্রীরা। যারা ৬ ঘণ্টা হাতে সময় নিয়ে আসবেন তারা আরটিপিসিআর ও যারা কম সময় নিয়ে আসবেন তারা পয়েন্ট অব কেয়ারে ১৫-২০ মিনিটে রিপোর্ট নিতে পারবেন। এছাড়া পরীক্ষার ফি ২০০০ টাকার নিচে সব প্রতিষ্ঠান একই মূল্যে পরীক্ষা করবে।

১০টি বুথের মাধ্যমে ১২টি আরটিপিসিআর ল্যাবে প্রতি তিন ঘণ্টায় ১ হাজার ৪৫২ জন পরীক্ষা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিমানবন্দরে রেজিস্ট্রেশন করতে পূর্বের নেগেটিভ রেজাল্ট ফরম স্ক্যান করলেই অটোমেটিক রেজিস্টার হয়ে যাবে। পরীক্ষা শেষ হলে নমুনা দেওয়ার স্থানেই মিলবে রিপোর্ট।

এসএইচ-১৯/২৫/২১ (ন্যাশনাল ডেস্ক)

ইসি নিয়োগ নিয়ে ৫২ বিশিষ্ট নাগরিক যা বলছেন

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগ আইন প্রণয়নে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশের ৫২ বিশিষ্ট নাগরিক। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তারা এ বিবৃতি দিয়েছেন।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলি-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন।

সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে ‘আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে’ নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও গত ৫০ বছরে কোনো সরকারই এমন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। গত দুটি নির্বাচন কমিশন নিয়োগের আগে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে দুটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেন।

এডহক ভিত্তিতে সৃষ্ট ওই দুটি অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশে গঠিত রকিব উদ্দিন কমিশন ও নূরুল হুদা কমিশন তাদের চরম পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের মাধ্যমে আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যার ফলে জনগণের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওপর ব্যাপক অনাস্থা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে তীব্র শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমান নূরুল হুদা কমিশনের মেয়াদ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হবে, তাই নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠনের উদ্যোগ এখনই শুরু করতে হবে, যার প্রাথমিক কাজ হবে সাংবিধানিক নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে একটি আইন প্রণয়ন করা।

এ বিষয়ে অনতিবিলম্বে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমরা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, যাতে নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে ও সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত থেকে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। একই সঙ্গে অনুরোধ জানাচ্ছি, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সে বিষয়ে সংস্কারের কথা এখন থেকেই ভাবতে।

প্রস্তাবিত আইনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ করতে ও একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের বিধান রাখতে হবে। এই অনুসন্ধান কমিটি দল ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত হতে হবে, যাতে সব নির্বাচনী অংশীজনদের কাছে এটি গ্রহণযোগ্যতা পায়। গঠিত অনুসন্ধান কমিটির দায়িত্ব হবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে আইনে বিধৃত যোগ্যতার মানদণ্ডের আলোকে কিছু সৎ, নির্দলীয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের একটি প্যানেল নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা।

স্বচ্ছতার অংশ হিসেবে কোন কোন ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের জন্য অনুসন্ধান কমিটি প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করছে তাদের নাম প্রকাশ ও গণশুনানির আয়োজন করা এবং কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণের জন্য সেসব নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে, তার একটি প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করার বিধান আইনে রাখতে হবে।

আমরা আশা করি যে, সঠিক ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ জরুরি ভিত্তিতে গ্রহণ করবে। নাগরিক হিসেবে মতামত প্রদানের মাধ্যমে আমরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে পারি।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমির-উল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষক এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান, অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি আব্দুল মতিন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

আরও যারা আছেন: মানবাধিকারকর্মী ড. হামিদা হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মহিউদ্দিন আহমদ, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক পারভীন হাসান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ড. আহসান মনসুর, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট জেড. আই খান পান্না, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. শাহদীন মালিক, ফেমা’র সাবেক সভাপতি মুনিরা খান, নারীপক্ষের সদস্য শিরিন হক, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালমা আলী, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, অ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, সাবেক সচিব আবদুল লতিফ মণ্ডল, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, আলোকচিত্র শিল্পী ড. শহিদুল আলম, ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সি. আর আবরার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেট সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, লেখক-অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক অধ্যাপক আকমল হোসেন, সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধ্যাপক ও গবেষক স্বপন আদনান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম, সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক গোলাম মোনোয়ার কামাল, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের ক্লিনিকাল নিউরোসায়েন্স সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক নায়লা জামান খান, নাগরিক উদ্যোগ’র প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, আর্টিকেল-১৯ এর আঞ্চলিক পরিচালক ফারুক ফয়সাল, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর ড. আব্দুল আলিম এবং মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন।

এসএইচ-১৮/২৫/২১ (ন্যাশনাল ডেস্ক)

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছেলেকে পানিতে ডুবিয়ে মারলো বাবা

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের ছেলে মেহেদি মাতুব্বরকে (১৭) হাত-পা বেঁধে প্রতিপক্ষের বাড়ির পাশে জমিতে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছেন বাবা। বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জে গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বাবা আরব আলী মাতুব্বর। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত বুধবার আরব আলী মাতুব্বরকে (৪০) ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। সিআইডি গোপালগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে সিআইডির একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে, জেলার মুকসুদপুর উপজেলার পদ্মাকান্দা গ্রামের জলাবদ্ধ জমি থেকে হাত-পা বাধা অর্ধ গলিত অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের ১১ মাস পর তার পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয় সিআইডি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে লাশটি মেহেদী মাতুব্বরের বলে নিশ্চিত হন তারা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোপালগঞ্জ সিআইডি এসআই মাহাতাব উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের ছেলে মেহেদী মাতুব্বরকে হাত-পা বেঁধে ওই প্রতিপক্ষের বাড়ির পাশে জলাবদ্ধ জমিতে ডুবিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করেন আরব আলী মাতুব্বর। পরে পুলিশ তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে।

দীর্ঘ তদন্তের পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরব আলী মাতুব্বরের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।

২০২০ সালের ১১ অক্টোবর উপজেলার পদ্মকান্দা গ্রামের জলাবদ্ধ জমি থেকে মেহেদী মাতুব্বরের হাত-পা বাঁধা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে সিন্ধিয়াঘাট ফাঁড়ির পুলিশ। ওই দিনই পুলিশ বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে সিআইডি মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব নেয়।

এসএইচ-১৭/২৫/২১ (আঞ্চলিক ডেস্ক)

টিআইবি মাঠ তত্ত্বাবধায়ক নিচ্ছে

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ‘দুর্নীতি-বিষয়ক জাতীয় খানা জরিপ ২০২১’ প্রকল্পে ‘মাঠ তত্ত্বাবধায়ক’ পদে ২০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
প্রকল্পের নাম: দুর্নীতি-বিষয়ক জাতীয় খানা জরিপ ২০২১

পদের নাম: মাঠ তত্ত্বাবধায়ক (ফিল্ড সুপারভাইজার)
পদসংখ্যা: ২০ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর/সমমান। সামাজিক বিজ্ঞানে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার
অভিজ্ঞতা: ০২ বছর
বেতন: দৈনিক ২,৩৫০ টাকা। এছাড়া মোবাইল ফি ৫০০ টাকা ও ইন্টারনেট বিল ৪০০ টাকা

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
চাকরির মেয়াদ: নভেম্বর ২০২১-ফেব্রুয়ারি ২০২২

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ৩৭ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

দক্ষতা: এমএস অফিস ও তথ্য সংগ্রহের মোবাইল অ্যাপ সম্পর্কে ধারণা, প্রার্থীর ই-মেইল ও স্মার্টফোন থাকতে হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.career.ti-bangladesh.org এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৫ অক্টোবর ২০২১

এসএইচ-১৬/২৫/২১ (জবস ডেস্ক)

ফুটন্ত তেলের কড়াইয়ে চুবানো হলো নাবালিকার হাত!

A little girl protects herself with her palm

মিথ্যা বলছে কিনা তা জানতে এক নাবালিকার হাত ফুটন্ত তেলের কড়াইয়ে চুবিয়েছে প্রতিবেশী এক মহিলা। গত বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের পাতন শহরের কাছে সনতলপুর গ্রামে। এ খবর নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

পুলিশের বরাত দিয়ে বলা হয়, মেয়েটি মিথ্যা বলছে কিনা তা দেখার জন্য ওই মহিলা তার হাত তেলে চুবিয়েছিলেন। অভিযুক্তের নাম লাখি মাকয়ানা (৪০)। তিনি ওই নাবালিকার প্রতিবেশী।

অভিযুক্ত মহিলাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার ডান হাতের তালু পুড়ে গেছে।

কিছুদিন আগে অভিযুক্ত মহিলা তার বাড়ির সামনে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন। তখন তা দেখতে পায় নাবালিকা। গত বুধবার সকালে নাবালিকার মা-বাবা বাড়িতে ছিলেন না। সে সময় অভিযুক্ত নাবালিকাকে জিজ্ঞাসা করেন, সেই ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা বলার বিষয়টি সে অন্যদের জানিয়েছে কিনা।

নাবালিকা কাউকে জানায়নি বললেও অভিযুক্ত তাকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। সে মিথ্যা বলছে কিনা তা জানতে ফুটন্ত তেলে নাবালিকার হাত চুবিয়ে দেন। নাবালিকা পালানোর চেষ্টা করলেও তার হাত অভিযুক্ত তেলে চুবিয়ে রেখেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, এই ঘটনার পর প্রতিবেশীরা নাবালিকা মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কারণ তার মা-বাবা সে সময় কাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত মহিলা পালিয়ে গিয়েছিলেন। তবে পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এসএইচ-১৫/২৫/২১ (অনলাইন ডেস্ক)

আড়াই বছর স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ‘সংসার’, ৩ দিন অনশনের পর বিয়ে

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে তিনদিন অনশন শেষে এক তরুণীর (২১) বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রেমিক হুমায়ুন মোল্যার (২৯) নিজ বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এর আগে প্রায় আড়াই বছর ধরে তারা একসঙ্গে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বসবাস করেছিলেন।

হুমায়ুন মোল্য চতুল ইউনিয়নের শুবদেবনগর গ্রামের মৃত জবেদ মোল্লার ছেলে। আর ওই তরুণী বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার বড়করপাকর গ্রামের মেয়ে।

জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার শুকদেবনগর এলাকার হুমায়ুন মোল্যা ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। একই কারখানায় কাজ করতেন ওই তরুণী। একই কোম্পানিতে কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় আড়াই বছর ধরে তারা একসঙ্গে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়েও বসবাস করেছেন। এরপর কোন একদিন হুমায়ুন সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

পরে ওই তরুণী কোন উপায়ন্তর না পেয়ে প্রেমিকের স্থায়ী বাড়ি বোয়ালমারীতে গত ২১ সেপ্টেম্বর এসে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত হুমায়ুনের পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

চতুল ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার কারামত আলী খান গতকাল শুক্রবার দুপুরে ওই প্রেমিক জুটির বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা মেয়েটির বিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ছেলের পারিবারিক সম্মতি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পড়িয়েছি। তাদের বিয়ের কাবিন রেজিস্ট্রারে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে। ’

বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই হুমায়ুনের শুবদেবনগর গ্রামের বাড়িতে রয়েছেন বলেও জানান কারামত আলী খান।

এসএইচ-১৪/২৫/২১ (আঞ্চলিক ডেস্ক)

বিএনপি পরিস্থিতি বুঝে আন্দোলনের ডাক দেবে

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে পরিস্থিতি বুঝে আন্দোলনের ডাক দেবে বিএনপি। এ নিয়ে দলটির নেতারা খুব তাড়াহুড়া করতে চান না। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে কীভাবে আদায় করা যায়, এটাই একমাত্র ভাবনা দলটির। এই ভাবনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, দুই জোট ও পেশাজীবীদের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে চান দলটির নীতিনির্ধারকরা।

এই ইস্যুতে আন্দোলনে যাওয়ার বার্তা দিয়ে এরই মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দুই দফায় ছয়দিন রুদ্ধদ্বার সিরিজ বৈঠক শেষ করেছে দলটি। আজ দলের স্থায়ী কমিটির সভায় দুই জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে দলীয়ভাবে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের একটি রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। এর পর বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও বসতে চায় দলটি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে বলেন, ‘জাতীয় নির্বাহী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আমরা স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা করব। এর পর পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব। বিষয়টি গণমাধ্যমকেও জানানো হবে।

গত বৃহস্পতিবার সাংগঠনিক বিভাগ রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা ও মহানগরের সভাপতিদের মতামতের মধ্য দিয়ে সিরিজ বৈঠক শেষ হয়। এর আগে

দ্বিতীয় দফায় প্রথম দিন ২১ সেপ্টেম্বর সাংগঠনিক বিভাগ ঢাকা ও ফরিদপুর, দ্বিতীয় দিন ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লার জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা সভাপতিদের মতামত নেয় বিএনপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪-১৬ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন নির্বাহী কমিটির নেতাদের মতামত নেওয়া হয়। নির্বাহী কমিটির ৫০২ সদস্যের কমিটির ৩৭৬ জন অংশ নেন। এ ছাড়াও অংশ নেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ৪৭ জন এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১২২ জন নেতা।

দলের গুরুত্বপূর্ণ এক নেতা বলেন, এই নিয়ে নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। দলে শৃঙ্খলা ও ঐক্য ফেরানো না গেলে আন্দোলনে সফলতা আসবে না বলেও নেতারা মতামত দেন। এ অবস্থায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে না জানিয়ে যারা সিরিজ বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের সবার কাছেই শোকজের চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে একটি তালিকা করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকা নেতাদের কাছে গতকাল শুক্রবার থেকে শোকজের চিঠি পাঠানো শুরু হয়েছে বলে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিরিজ বৈঠকে নেতাদের মতামত নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। চলতি মাসে অথবা আগামী মাসের শুরুতে বিএনপি দলগতভাবে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি একটি রূপরেখা দিতে চায়। এই রূপরেখায় পেশাজীবী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতাদেরও মতামত নেওয়া হবে। সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মে আনতেই এই মতামত নেওয়া হবে। তবে কোনো কোনো নেতা সংবাদ সম্মেলনের আগেই সবার সঙ্গে মতবিনিময় করার পক্ষে। এ বিষয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্থায়ী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতারা জানান, ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভাঙ্গা-গড়ার দিকে না গিয়ে তারা যুগপৎ আন্দোলন করার চিন্তা করছেন। গত ছয় দিনের সিরিজ বৈঠকেও নেতারা এমন মতামত দিয়েছেন।

দলের নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত আন্দোলনে নামার আগে দলের পুনর্গঠন কাজ শেষ করে দলের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাই করতে নেতারা মতামত দিয়েছেন। চূড়ান্ত আন্দোলনে নামার আগে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাশাপাশি দেশে আন্দোলনের নেতৃত্বে একজন নেতা ঠিক করার পক্ষে মত দিয়েছেন। যদিও এ নিয়ে তারেক রহমান ছাড়া অন্য কেউ সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা জানান, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের পর দলের সিদ্ধান্তহীনতায় নেতাকর্মীরা কোনো আশা না দেখে ‘চুপচাপ’ হয়ে যায়। সিরিজ বৈঠকের মধ্য দিয়ে নেতারা অনেকটা উজ্জীবিত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের আগে কেন্দ্রীয় এবং তৃণমূলের নেতাদের মধ্যে আন্দোলন বিষয়ে যে কঠোর মনোভাব দেখা যেত, এবারের সিরিজ বৈঠকে তা দেখা যায়নি।

এ বিষয়টিও দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতাদের ভাবিয়ে তুলেছে। আন্দোলনের চিন্তা মাথায় নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় কর্মপন্থা ঠিক করতে দলের নীতিনির্ধারকরা ১০ থেকে ১২ দফার একটি রূপরেখার খসড়া তৈরি করেন। এই খসড়া চূড়ান্ত করার আগে সবাইকে সম্পৃক্ত করতে জাতীয় নির্বাহী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মতামত নেওয়া হয়।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা জানান, এই সরকারের অধীন ও বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচনে গেলে ফল ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতোই হবে। প্রায় সব নেতাই মত দিয়েছেন, এ পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যেতে হলে বিদ্যমান নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিবর্তন আনতে হবে। আর তা করতে হলে আন্দোলন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। এই আন্দোলনে সফল হতে নানা মতামতও দেন তারা। মোটা দাগে পাঁচটি বিষয়ে বেশি মতামত দিয়েছেন নেতারা। শীর্ষে ছিল নির্বাচন ইস্যু, আর তা হচ্ছে দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচনে না যাওয়া। এর পরই ছিল দলকে ঐক্যবদ্ধ করার পরামর্শ। দল পুনর্গঠনে ক্ষোভ, কূটনৈতিক ব্যর্থতায় হতাশা প্রকাশ এবং জোট থেকে জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দেওয়ার ব্যাপারে মতামত আসে।

বৈঠক সূত্র জানায়, সিরিজ বৈঠকের প্রথম দফার চেয়ে দ্বিতীয় দফায় জামায়াত ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ নেতা তাদের মতামত দিয়েছেন। সেখানে সবাই বিএনপিকে এককভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন। দলের কূটনৈতিক ব্যর্থতাকে বড় করে দেখা হচ্ছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, তারা কূটনৈতিক ক্ষেত্রে দলের নীতিনির্ধারকদের পিছিয়ে থাকার অভিযোগ তোলেন। বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী ও বিগত সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়েও কথা বলেছেন নেতারা। ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিষয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচন এবং আন্দোলন প্রশ্নে আমরা একটি রূপরেখা তৈরির কাজ করছি, মাঠের চাহিদা অনুযায়ী একটি সূচি তৈরির চেষ্টা করছি। এখন বৈঠক করে মতামত নেওয়া হচ্ছে, যাতে চূড়ান্ত রূপরেখায় তাদের মতের প্রতিফলন থাকে। যাতে কেউ এমনটি বলতে না পারেন যে, কেন্দ্র থেকে তাদের ওপর কিছু চাপিয়ে দিয়েছে।’

জানা গেছে, ধারাবাহিক এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত নীতিনির্ধারকরা লিপিবদ্ধ করেছেন। তা হচ্ছে- সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে নেতৃত্ব ধার না করে বিএনপির নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে তোলা, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে আনা, নব্বইয়ের চেতনা ভুলে যাওয়া, পরিকল্পনামাফিক আন্দোলনের ছক কষা, দীর্ঘসময় নয়- স্বল্পসময়ের জন্য আন্দোলন গড়ে তোলা, বিভেদ ভুলে দলে আত্মিক বন্ধন সুদৃঢ় করা, কমিটি গঠনে অনৈতিক লেনদেন বন্ধ, আন্দোলনমুখী নেতৃত্ব বাছাই, সংগঠনকে শক্তিশালীকরণ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিশ্ব পরিস্থিতি বুঝে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং দলের অবস্থান পরিষ্কার করা।

এর বাইরেও দলের স্থায়ী কমিটি এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির শূন্যপদ পূরণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন নেতারা। জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত পাওয়া গেছে। ধারাবাহিক বৈঠকে ঘুরেফিরে বেশিরভাগ নেতাই দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশগ্রহণকে ভুল ছিল বলে মতামত দিয়েছেন।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, ‘দেশের সবার একটা দাবি, তা হচ্ছে- নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই দাবির পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজটি বিএনপি করছে। জনগণ এই সরকারের অধীনে ভোট দিতে পারে না; তারা কীভাবে ভোট দিতে পারবে সেই পরিবেশ তো জনগণই ঠিক করবে। সেই কাজটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি করার উদ্যোগ নিয়েছে।’

এসএইচ-১৩/২৫/২১ (অনলাইন ডেস্ক)

দীঘির জন্য নায়ক আসছে কলকাতা থেকে!

চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। কাজ করতে যাচ্ছেন ‘মানব দানব’ শিরোনামের একটি সিনেমায়। তবে জেলেপাড়ার গল্প নিয়ে নির্মিত এই ছবিটিতে দীঘির বিপরীতে দেশের কোনো নায়ক নেওয়া হচ্ছে না।

নেওয়া হচ্ছে কলকাতার নায়ক। জানা গেছে ছবিটিতে কলকাতার চিত্রনায়ক বনি সেনগুপ্ত কাজ করছেন। শাপলা মিডিয়ার প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন বজলুর রাশেদ চৌধুরী। তিনিই জানিয়েছেন এ তথ্য।

পরিচালক বলেন, ‘জেলেপাড়ার গল্পে সিনেমা এখানে গ্ল্যামারের চেয়ে অভিনয়টা বেশি দরকার। বনি ও দীঘি ভালো অভিনয় করেন; তারা চরিত্রের গভীরতা বুঝে নিজেদের সেরাটা উপহার দেবেন বলে মনে করি।’

এ বিষয়ে দীঘি বলেন, ‘ছবিটি নিয়ে কথা হয়েছে। যতদূর জেনেছি অক্টোবর মাস থেকে বাংলাদেশে সিনেমাটির শুট শুরু হবে। এর বেশি কিছু জানি না আমি।’

প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ক্যারিয়ারের শুরু থেকে শাপলা মিডিয়ার একাধিক সিনেমায় কাজ করে চলেছেন। এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ‘প্রিয়া রে’ শিরোনামে একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন বনি সেনগুপ্তের প্রেমিকা কলকাতার অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়।

পূজন মজুমদারের পরিচালনায় সিনেমাটিতে উঠতি চিত্রনায়ক শান্ত খানের নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে তাকে। ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসার কথা রয়েছে তার।

শাপলা মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালের প্রযোজনায় কলকাতার দুই সিনেমার শুট শেষ করেছেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। শামীম আহমেদ রনির পরিচালনায় সে দুই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রেমিক বনি।

এসএইচ-১২/২৫/২১ (বিনোদন ডেস্ক)