সকাল ১১:৪৬
বৃহস্পতিবার
২৫ শে জুলাই ২০২৪ ইংরেজি
১০ ই শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৮ ই মুহররম ১৪৪৬ হিজরী
spot_img

অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৪ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে বলে জানান তিনি।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান) এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

এআর-০২/২৪/০৭ (শিক্ষা ডেস্ক)

আজ রাতেই সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু হবে: পলক

সারা দেশে আজ রাত থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রীর এ ঘোষণার পর সন্ধ্যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা–বাড়িতেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু হতে শুরু করেছে।

মোবাইল ডেটা চালু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী শুক্র বা শনিবার মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) সঙ্গে বৈঠক করে রবি বা সোমবারের মধ্যে মোবাইল ডেটা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের কোনো জবাবদিহি নেই। তারা একেক দেশে একেক ধরনের আচরণ করে। বুস্টিংয়ের মাধ্যমে তারা ঠিকই বাংলাদেশে ব্যবসা করছে, কিন্তু দেশের নিয়ম মানছে না। বাংলাদেশের নিয়ম মানতে তাদের চিঠি দেবে সরকার। এর জবাব দিতে এসব প্রতিষ্ঠানকে হাজির হতে বলা হবে।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ও পরবর্তী সংঘাতের মধ্যে ১৭ জুলাই রাতে মোবাইল ইন্টারনেট এবং ১৮ জুলাই রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাঁচ দিন পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে দেশে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করে দেওয়া হয়। তবে সাধারণ মানুষের সবাই তা ব্যবহার করতে পারছিলেন না। ইন্টারনেট পাওয়া গেলেও গতি ছিল খুবই কম।

এআর-০১/২৪/০৭ (জাতীয় ডেস্ক)

কোটা সংস্কার আন্দোলন : বৃহস্পতিবার সারা দেশে নিহত ১১

দেশের বিভিন্ন জায়গায় কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জনই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রলীগ–যুবলীগ নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন।

সংঘর্ষে নিহত চারজনের মরদেহ রাজধানীর উত্তরার বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে রয়েছে। হাসপাতালটির পরিচালক মিজানুর রহমান বলেছেন, চারজনের মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী। অপর দুজনের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এর আগে উত্তরায় পুলিশ ও র‍্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তাঁদের একজনকে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান এবং আরেকজন উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে মারা যান। দুই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ছাড়া ধানমণ্ডিতে সংঘর্ষে ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থী, রামপুরায় এক পথচারী, যাত্রাবাড়ীতে এক রিকশাচালক, সাভারে এক শিক্ষার্থী ও মাদারীপুরে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে ১১ জনের।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় সকাল থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ চলছে। সন্ধ্যার দিকে সেখান থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় এক রিকশাচালককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রিকশাচালকের নাম–পরিচয় জানা যায়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩০ বছর।

রাজধানীর উত্তরায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও র‍্যাবের সংঘর্ষ শুরু বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর থেকে।

সহিংসতা চলছে রাজধানীর আরও বেশ কয়েকটি এলাকায়। সকালে মেরুল বাড্ডা এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তা পাশের রামপুরা ও মালিবাগ এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়েছে। রামপুরায় বিটিভি ভবনে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বিক্ষুব্ধরা। সংঘর্ষ চলছে শনির আখড়া এলাকায়।

এদিকে সকাল থেকে রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। দুপুরে সংঘর্ষে আহত ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্র নিহত হয়েছেন।

এআর-০১/১৮/০৭ (জাতীয় ডেস্ক)

রিয়ালে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল মদ্রিচের

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছিল লুকা মদ্রিচের। তবুও তিনি অন্য কোনো ক্লাবে যাবেন না বলে সাফ জানিয়েছিলেন। স্প্যানিশ ক্লাবটির প্রতি এই ক্রোয়েশিয়ান তারকার যে আশা ছিল, সেটাই এবার পূরণ করল লস ব্লাঙ্কোসরা। নতুন করে এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডারের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি করেছে রিয়াল।

গত মাসেই (জুন) বার্নাব্যুর ক্লাবটির সঙ্গে মদ্রিচের চুক্তির মেয়াদ ফুরোয়। যদিও আগের মৌসুমে তিনি শুরুর একাদশে খুব কমই খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তাকে বেশিরভাগ সময় বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে। কারণ মিডফিল্ডে প্রায় নিয়মিত আস্থার জায়গা হয়ে উঠেছিলেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, অঁরেলিয়ে শুয়ামেনি, ফেদ্রেরিক ভালভার্দে ও জ্যুড বেলিংহ্যাম। লা লিগার শিরোপা জয়ের পথে মদ্রিচ কেবল ১৮টি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন।

তবে তার প্রতি এখনই যে আস্থার হাত সরিয়ে নিচ্ছে না রিয়াল, সেটাই বোঝা গেল নতুন এই চুক্তিতে। ফলে গত মৌসুমে ট্রেবল শিরোপ জেতা দলটির হয়ে তাকে আরও এক বছর খেলতে দেখা যাবে। যদিও ততদিনে তার বয়স দাঁড়াবে ৩৯ বছরে। ক্লাবের ওয়েবসাইটে বিবৃতি দিয়ে আজ (বুধবার) মদ্রিচের চুক্তি নবায়নের বিষয়টি জানায় লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা। যাদের হয়ে তিনি এখন পর্যন্ত ৫৩৪ ম্যাচে খেলেছেন, রিয়ালের জার্সিতে তার ৩৯টি গোলও আছে।

বিবৃতিতে রিয়াল জানিয়েছে, ‘রিয়াল এবং লুকা মদ্রিচ চুক্তি নবায়নের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আমাদের অধিনায়ক ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবেন। এর আগে মদ্রিচ ২০১২ সালে রিয়ালে যোগ দেন, এরপর ১২টি মৌসুম প্রতিনিধিত্ব করবেন আমাদের জার্সির। এর মধ্য তিনি রিয়াল মাদ্রিদ এবং বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন।

টটেনহ্যাম ছেড়ে ১২ বছর আগে মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর মদ্রিচ ৬টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ৪টি লা লিগা, ৫টি ক্লাব বিশ্বকাপসহ মোট ২৬টি ট্রফি জিতেছেন তিনি। একইসঙ্গে ২০১৮ সালে ব্যালন ডি’অরও জিতেছেন ক্রোয়াট অধিনায়ক। এ ছাড়া রিয়ালে থাকাবস্থাতেই তিনি সর্বোচ্চ দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৭-১৮ মৌসুমে উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের খেতাবও পান।

এসএ-১০/১৭/২৪(স্পোর্টস ডেস্ক)

কোনো ম্যাচ না খেলেও সুখবর পেলেন সাকিব

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে এখন পর্যন্ত মাঠে নামা হয়নি বাংলাদেশ দলের। যদিও এই সময়ে টাইগার ক্রিকেটাররা খেলছেন বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। যার মধ্যে মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদরা খেলছেন লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) এবং সাকিব আল হাসান খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে (এমএলসি)। সেখানে বসেই টাইগার এই অলরাউন্ডার আইসিসির সুখবর পেলেন। যদিও এর ভেতর তিনি কোনো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেননি।

আইসিসির সাপ্তাহিক র‍্যাঙ্কিং আজ (বুধবার) হালনাগাদ হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে সাকিব উঠে এসেছেন ৪ নম্বরে, বর্তমানে তার রেটিং পয়েন্ট ২০৬। ২২২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে অবস্থান করছেন।

অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে ২১১ ও ২০৮ রেটিং নিয়ে যথাক্রমে দুই ও তিনে আছেন মার্কাস স্টয়নিস ও সিকান্দার রাজা। স্টয়নিস-রাজা দুজনেই সাকিবের মতো একধাপ করে এগিয়েছেন। এদিকে, জিম্বাবুয়ে সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ব্যাটারদের তালিকায় বড় লাফ দিয়েছেন শুভমান গিল। ওই সিরিজে ভারতীয় তরুণ দলের অধিনায়কত্ব করা গিল টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩৭ ধাপ এগিয়ে ৩৬ নম্বরে উঠে এসেছেন।

ভারতীয় এই ব্যাটারের রেটিং পয়েন্ট বর্তমানে ৫৩৩। সিরিজে সর্বোচ্চ ১৭০ রান করেছেন তিনি। ৭৯৭ রেটিং নিয়ে আগের মতোই দুইয়ে আছেন সূর্যকুমার যাদব। চার ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৬ নম্বরে উঠে এসেছেন আরেক ভারতীয় ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল।

এসএ-০৯/১৭/২৪(স্পোর্টস ডেস্ক)

গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত অন্তত ৫০

খান ইউনিসের পশ্চিমে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে ঘোষিত আল-মাওয়াসি এলাকার একটি তাঁবু শিবিরে ইসরায়েলি হামলার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক ফিলিস্তিনি নারী। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডজুড়ে চালানো সিরিজ এই হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

সর্বশেষ এই হামলায় গাজায় জাতিসংঘ-পরিচালিত স্কুলেও হামলা করেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৫০ ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামলার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসির সম্প্রতি ঘোষিত মানবিক অঞ্চলে।

মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্কুলে বাস্তুচ্যুত লোকজনের ওপর আরেকটি হামলা হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, উভয় হামলার ক্ষেত্রেই তারা ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং সেখানে বেসামরিক হতাহতের প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে তারা।

ইসরায়েলি বাহিনী আরও দাবি করেছে, হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্বের অর্ধেক সদস্য নিহত হয়েছে এবং গাজায় ৯ মাসের ইসরায়েলি বিমান হামলা এবং স্থল অভিযানে প্রায় ১৪ হাজার ‘সন্ত্রাসী’ নিহত বা আটক হয়েছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে রাশিয়া। সেই থেকে গত ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হামলায় ভূখণ্ডটিতে ৩৮ হাজার ৭১০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

নিহতদের এই পরিসংখ্যানে বেসামরিক মানুষ এবং যোদ্ধাদের সংখ্যা আলাদা করে উল্লেখ করা হয় না। তবে গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ গাজার এই মন্ত্রণালয় বলেছিল, মৃতদের মধ্যে ১৪ হাজার ৬৮০ জন শিশু, নারী এবং বয়স্ক ব্যক্তি রয়েছেন।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

এসএ-০৮/১৭/২৪(আন্তর্জাতিক ডেস্ক)

ইনস্টাগ্রামে স্বামীকে তালাক দিলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতোম তার স্বামী শেখ মানা বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ বিন মানা আল মাকতোমকে তালাক দিয়েছেন। বিবাহবিচ্ছেদের এই ঘোষনা তিনি দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে।

শেখা মাহরা দুবাইয়ের আমির এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতোমের মেয়ে। পেশাগত জীবনে তিনি গৃহসজ্জা বিষয়ক নকশাবিদ এবং নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক আন্দোলনের অগ্রসর কর্মী। বুধবার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে শেখা মাহরা লেখেন, “প্রিয় স্বামী, যেহেতু আপনি অন্যান্য সঙ্গীদের সঙ্গেই সবসময় ব্যস্ত থাকেন, তাই আমি আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা করছি। আমি আপনাকে তালাক দিচ্ছি, তালাক দিচ্ছি এবং তালাক দিচ্ছি। ভালো থাকবেন। আপনার সাবেক স্ত্রী।”

গত বছর মে মাসে শেখ মানা বিন মোহাম্মদের সঙ্গে বিয়ে হয় শেখা মাহরা’র। দু’মাস আগে তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়েছে।

মেয়ের কোলে নিয়ে তোলা ছবি একটি ছবি গত সপ্তাহে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন শেখা মাহারা। সেখানে তিনি বলেন, ‘কেবল আমরা দুজন’। বুধবারের পোস্টের পর বোঝা গেল, এই পোস্টের মাধ্যমে আসন্ন বিবাহবিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে শেখা মাহরা এই ঘোষণা দেওয়ার কিছু সময় পর নেটিজেনরা দেখতে পান, তিনি এবং তার প্রাক্তন স্বামী শেখ মানা ইনস্টাগ্রাম থেকে তাদের যাবতীয় যৌথ ছবি ও কন্টেন্টগুলো মুছে ফেলেছেন। এদিকে ইনস্টাগ্রামে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর অনেক নেটিজেন সেই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।

একজন নেটিজেন লিখেছেন, “দুঃসংবাদ। আল্লাহ আপনার সহায় হোন।” আরেক নেটিজেন লিখেছেন, “আপনার সিদ্ধান্তে আমি গর্বিত।” তৃতীয় এক নেটিজেন লিখেছেনর, “জীবনে কখনও ভালো, কখনও বা তিক্ত পর্যায় আসে। এসব জীবনেরই অংশ।”

সূত্র : এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড

এসএ-০৭/১৭/২৪(আন্তর্জাতিক ডেস্ক)

অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে সালমানের বিস্ফোরক মন্তব্য

কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল সারাদেশ। ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের বিভিন্ন তারকারা। ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটররাও চুপ নেই।

এরা আগে শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। গেল কয়েকদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব ভূমিকা পালন করছেন তিনি। এবার সালমান কথা বললেন অভিনয় শিল্পীদের পোস্টের ধরন নিয়ে।

বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন সালমান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এত বড় আর্টিস্ট আপনারা টিভি ইন্টারনেটে লাউড অ্যাক্টিং করেন ভালো কথা। কিন্তু এই যে একটা ঐতিহাসিক একটা মোমেন্টে যেটা সারাজীবনে একবার আসে, এরকম নিরপেক্ষ এবং অস্পষ্ট পোস্ট করে অ্যাক্টিং করবেন না। খুব বাজে হচ্ছে।’

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেতা জানিয়েছেন, যে সকল ছাত্র হলে ঢুকতে পারছেন না বা হামলার শিকার হয়েছেন তাদের দায়িত্ব নেবেন তিনি।

ইতোমধ্যে কোটা সংস্কার চেয়ে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান ও অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এছাড়াও তালিকায় আছেন বুবলি, অপু বিশ্বাস, পরীমণি, পূজা চেরি, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, জিয়াউল হক অপূর্ব, নিলয় আলমগীর, সাবিলা নূর, সাদিয়া আয়মান, সুমন আনোয়ার, আশফাক নিপুণ, রুকাইয়া জাহান চমক, ও আরএসফাহিম চৌধুরী, তাসরিফ আহমেদ, ইফতেখার রাফসানসহ অনেকে।

এসএ-০৬/১৭/২৪(বিনোদন ডেস্ক)

৬টি তাজা প্রাণের দায়ভার কে বা কারা নেবে?

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এতে নিন্দার ঝড় বইছে সামাজিক মাধ্যমে। হামলাকারীদের শাস্তিসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

সোমবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যার ছবি-ভিডিওতে মুহূর্তের মধ্যেই ঝড় তোলে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে যখন সারাদেশ উত্তাল, তখন তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে শোবিজ তারকারা। ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট করেছেন।

যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘হয়ত দুই একদিনের মধ্যেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, হয় দাবি আদায় হবে ,আর নাহয় ভাগ্য খুব খারাপ হলে, হবে না। কিন্তু এই যে ৬টি তাজা প্রাণ। এটার দায়ভার কে বা করা নেবে ? আর কি কোনো কিছুর বিনিময়ে ,তাদের ফিরিয়ে আনা যাবে ? আমরা মাঝে মাঝে এত নিষ্ঠুর কেনো হই?।’

ভক্ত-অনুরাগীরা সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে বুবলীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার বেশ সহিংস রূপ নেয়। বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে।

গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় মন্তব্য করেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’ প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তারা ধরে নিয়েছেন ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ তাদেরকেই বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রোববার মধ্যরাত থেকে আন্দোলনে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

সোমবারও দুপুর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ। বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত থেমে থেমে চলা সংঘর্ষে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। রাত ১০টার পর আন্দোলনকারীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং সারা দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে তাদের সমর্থনে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান।

এসএ-০৫/১৭/২৪(বিনোদন ডেস্ক)

আদালতের রায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করেছে। আমার বিশ্বাস আমাদের শিক্ষার্থীরা আদালত থেকে ন্যায় বিচার পাবে।

তিনি বলেন, এখানে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ আছে। এমন অবস্থায় রাস্তায় আন্দোলন করে দুষ্কতকারীদের সুযোগ করে দেবেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু মহল আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে, অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে যে সকল ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন চলে গেলো। আপনজন হারানোর বেদনা যে কতো কষ্ঠের, তা আমার চেয়ে বেশি কে জানে।

যে সকল ঘটনা ঘটেছে, তা কখনোই কাম্য ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে সন্ত্রাসীরা ছাত্রদের হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে নিচে ফেলে দিয়েছে। অনেক ছাত্রের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তাদের ওপর লাঠিপেটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এসব সন্ত্রাসীদের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং সন্ত্রাসীরা এর মধ্যে ঢুকে সংঘাত ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। এই ধরণের ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, যারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে, তাদের পরিবারের জন্য জীবন-জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে যে সহযোগিতা দরকার, তা আমি করব। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এআর-০২/১৭/০৭ (জাতীয় ডেস্ক)