রাত ১১:১৪
শুক্রবার
১ লা জুলাই ২০২২ ইংরেজি
১৭ ই আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
১ লা জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩ হিজরী

ধর্ষণের ঘটনা চাপা রেখেও সংসার করা হলো না কিশোরীর

ধর্ষণের শিকার হয়েও ঘটনাটি চেপে গিয়েছিলেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী গৃহবধূ। প্রাণনাশের হুমকি এবং সংসার টেকাতেই এই কাণ্ড ঘটান ভুক্তভোগী কিশোরী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঘটনা জেনে যান স্বামী, ভেঙে যায় তার সংসার।

ওই গৃহবধূর বাবার বাড়ি উপজেলার অমৃতপুর এলাকায়। নয় মাস আগে পারিবারিকভাবে তানোর উপজেলার হরিপুর এলাকায় তার বিয়ে হয়।

গত ২৪ জুন দুপুরের দিকে তার স্বামী বাড়ির বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে প্রতিবেশী আবদুল হান্নান (৩৫) বাড়িতে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনা জানাজানি করলে হত্যার হুমকিও দেন আবদুল হান্নান। ধর্ষণের শিকার হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ওই কিশোরী। স্বামীর জেরার মুখে চার দিন পর ২৮ জুন পুরো ঘটনা খুলে বলেন। এর পরই স্বামী তাকে তালাক দেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তানোর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

ওই রাতেই অভিযুক্ত আবদুল হান্নানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্ত আবদুল হান্নান হরিপুরের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে। প্রতিবেশী ওই গৃহবধূকে দীর্ঘদিন ধরেই উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন আবদুল হান্নান।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর বাড়িতে ছিলেন ওই গৃহবধূ। ২৮ জুন সকালে তার স্বামী বাবাকে ফোন করে ধর্ষণের ঘটনা জানান। এ ঘটনার জেরে ধর্ষক আবদুল হান্নানকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও তানোর থানার উপ-পরিদর্শক শামীম হোসেন।

তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি আবদুল হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরের দিকে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।

এসএইচ-১৬/০১/২২ (নিজস্ব প্রতিবেদক)

শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদুল আজহা

পশ্চিম আকাশে উঁকি দিয়েছে জিলহজ মাসের চাঁদ। জানান দিচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহার উপস্থিতি। ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহা মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ উৎসবে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে পশু কোরবানি করেন। কোরবানি ঈদ মুসলিমদের কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে থাকে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও ত্যাগের মহিমা অনুধাবন করতে পারে। নিজ পরিবারের পাশাপাশি সমাজেও সেই বিষয়টি ছড়িয়ে দিতে পারে। তারুণ্যের সেই ভাবনা গুলোই তুলে ধরেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমন ইসলাম।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সীমা খাতুনের মতে কোরবানি বৈষম্যে দূর করে ভালোবাসতে শেখায়। তিনি জানান, ত্যাগ এবং সাম্যের আলো ছড়িয়ে দেয়ার আরেক নাম কোরবানির ঈদ। পশু জবেহের পর মাংস সমাজের সকল মানুষকে বিলিয়ে দেয়ার মাধ্যমে যে বন্ধন তৈরি হয়, এটি বৈষম্য দূর করতে সাহায্য করে। কোরবানির মাধ্যমে সহজেই বৈষম্যকে দূর করে ভালোবাসার মানসিকতা তৈরি হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, কোরবানি সমাজে ন্যায্যতার শিক্ষা দেয়। তার মতে, ঈদুল আযাহা শুধু আনন্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি ত্যাগের উৎসব। এই উৎসবে পশু উৎসর্গ করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পাশাপাশি আত্মীয়দের প্রতি দায়িত্ব, সমাজের গরিব মানুষের প্রতি বিত্তবানের দায়িত্ব ও ভ্রাতৃত্বের এক মেলবন্ধনের সৃষ্টি হয়। পশু জবাই করার পর মাংস সমাজের প্রতি পরিবারের মধ্যে সম বন্টনের মাধ্যমে সমাজে ন্যায্যতার শিক্ষার প্রতিফলন ঘটে।

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অলিয়া পারভিন হ্যাপির ভাবনায় কোরবানির ঈদ ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। তার মতে, ধনী-গরিব সকলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপিত হয়। এদিন ধনী-গরিব সকল ভেদাভেদ ভুলে একই কাতারে এসে দাঁড়ায়। এতে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সহমর্মিতার পরিবেশ তৈরি হয়।

কোরবানি আত্মসংশোধনের শিক্ষা দেয়- এমনটাই মনে করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তামিম মিয়া। তার মতে, সবার উচিত পশু কোরবানির পাশাপাশি মনের পশুটাকে কোরবানি দেয়া। সকল মোহ ত্যাগ করে নিজের পছন্দের জিনিসগুলোকে উৎসর্গ করার শিক্ষা কোরবানির মাধ্যমেই পাওয়া যায়। কোরবানির মূল শিক্ষা তাকওয়া অর্জন ও আত্ম সংশোধন। অন্তর যদি পবিত্র হয় তাহলে পুরো দেহই বিশুদ্ধ হয়ে যায়।

কোরবানি মধ্যে দিয়ে মনুষ্যত্বের জয় কামনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের রাশিদা পারভীন। তার মতে, কোরবানি মানেই ত্যাগ ও তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়া। পারভীনের প্রত্যাশা, ঈদের আনন্দ ধনী-গরিব সবার মাঝে অনাবিল সুখ আর প্রশান্তি বয়ে আনবে। সমাজ হবে বৈষম্যহীন, মানবিকতার চর্চা হবে সবখানে।

আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালযয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের আরিফুল ইসলাম এই ঈদে অসহায়ের পাশে দাঁড়াতে চান। ঈদুল আজহা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে বার্তা দেয়, সেটি হৃদয়ে লালন করে নিজেকে শুদ্ধ করতে চান। তিনি জানান, এই ঈদে কোরবানির মাংস বণ্টনের পাশাপাশি বন্ধুরা মিলে নিজ গ্রামের বঞ্চিত, দরিদ্র জনগোষ্ঠীদের খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে দেয়ার চেষ্টা করবেন।

উৎসর্গের মধ্য দিয়ে আনন্দ পেতে চান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহানাজ পারভীন। তার মতে, উৎসর্গের মধ্য দিয়ে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার বড় দৃষ্টান্ত হলো ঈদুল আযহা। এ ঈদ সবাইকে আত্মত্যাগী হবার শিক্ষা দিয়ে যায়। পশুত্ব ও অমানবিক মন-মানসিকতা বিসর্জন দিয়ে পাপ মুক্ত হওয়ার শিক্ষা এখান থেকেই পাওয়া যায়।

এসএইচ-১৫/০১/২২ (শিক্ষা ডেস্ক)

শখ পূরণে ছাত্রলীগ নেতার হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে

বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শখ পূরণে কত কিছুই না করে মানুষ। সবাই চায় তার বিয়েটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। তেমনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা হেলিকপ্টারে করে গেলেন কনে আনতে। এ সময় শত শত লোক ভিড় জমান। উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে ছিল পুলিশও।

এ জমকালো বিয়ের বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রিদওয়ান আনসারি রিমো। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার এ.আর আনসারি বাবরো ও রোকসানা আনসারি পপির ছোট ছেলে।

শুক্রবার দুপুরে জেলা শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বোর্ডিংয়ের মাঠ থেকে তিনি হেলিকপ্টারে যাত্রা শুরু করে সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউপির সুহিলপুর বাজার মাঠে বরের হেলিকপ্টার অবতরণ করে।

কনে তামান্না খানম চাঁদনী জেলার সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের সুহিলপুর গ্রামের আক্তার খাঁনের মেয়ে। বর ও কনে উভয়ের বাড়ি একই উপজেলায় হওয়ায় এ ঘটনায় সাড়া পড়ে গেছে। সুহিলপুর গ্রামের কনের বাড়িতেই এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে এই বিয়ে সম্পন্নের পর বর রিদওয়ান আনসারি রিমো হেলিকপ্টারে চড়ে কনে নিয়ে জেলা শহরের বোর্ডিংয়ের মাঠে অবতরণ করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। এদিকে সুহিলপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।

বরের বড় ভাই রাইয়ান আনসারি রিকি জানান, তাঁরা দুই ভাই, কোনো বোন নেই। রিদওয়ান আনসারি রিমো সবার ছোট। তাই আদরের ছোট ভাইয়ের বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে হেলিকপ্টারে করে বরযাত্রা ও কনে নিয়ে আসার আয়োজন করা হয়। ঢাকা থেকে ভাড়া করে হেলিকপ্টার আনা হয়। তিনি বলেন, হেলিকপ্টার থেকে নেমে কনের বাড়ি পর্যন্ত বর ঘোড়ার গাড়িতে গেছে। আবার ঘোড়ার গাড়িতেই করেই হেলিকপ্টার পর্যন্ত এসেছে। আমাদের ব্যক্তিগত প্রাডো গাড়িও ছিল। ছোট ভাইয়ের খুব ইচ্ছে ছিল বিয়ের দিন কনের বাড়িতে হেলিকপ্টারে যাবে। সেই আশায় আমরা পূরণ করেছি।

সুহিলপুর ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনে গ্রামের উৎসুক লোকজন হেলিকপ্টার ও বর-কনেকে দেখতে ভিড় জমান। গ্রামবাসীর মধ্যে এ সময় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় আমি বিয়েতে যেতে পারিনি। তবে বিষয়টি শুনেছি।

সদর থানার এসআই মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। বিষয়টি দেখতে কৌতূহলী ও উৎসুক মানুষ সুহিলপুর বাজার মাঠে ভিড় জমিয়েছেন।

এসএইচ-১৪/০১/২২ (আঞ্চলিক ডেস্ক)

ডমিনিকায় হারের রেকর্ড নেই বাংলাদেশের

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টি সিরিজের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৫ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরছে ডমিনিকায়। ২০০৭ সালে নির্মিত এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অভিষেকে জড়িয়ে আছে লাল-সবুজের নাম। স্পিন সহায়ক উইন্ডসর পার্কে, পরিসংখ্যানের হিসেবে শতভাগ জয়ের রেকর্ড টাইগারদের। পয়মন্ত এই ভেন্যুতেই মাইলফলক গড়ার হাতছানি সাকিব আল হাসানের সামনে।

সব মিলিয়ে ৫ আর টি-টোয়েন্টির হিসেবে সংখ্যাটা ৮। এতগুলো বছরের অপেক্ষা শেষে, ক্রিকেট ফেরার অপেক্ষায় ডমিনিকা। সমুদ্রের কোলঘেঁষা এই স্টেডিয়ামের সঙ্গে, জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম।

২০০৭ সালে নির্মিত হওয়া উইন্ডসর পার্ক, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে ২০০৯ সালে। বাংলাদেশ-উইন্ডিজ ওয়ানডে ম্যাচের মধ্য দিয়ে। অধিনায়ক সাকিবের নেতৃত্বে, সে ম্যাচেই জয় তুলে নেয় লাল-সবুজরা।

উইন্ডসর পার্কে এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচ খেলা টাইগাররা, জয় তুলে নিয়েছে দুটিতেই। যদিও এই ভেন্যুতে এখনো টি-টোয়েন্টি সংস্করণের কোনো ম্যাচ খেলা হয়নি। হবেই বা কীভাবে? ২০১৪ তে কিউইদের বিপক্ষে দুই টি-টোয়েন্টির পর, এই ফরম্যাটের কোনো ম্যাচই গড়ায়নি সেখানে।

অভিষেকের পর ১২ বছরে, ডমিনিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মাত্র ১১ ম্যাচ। ২০১৭’তে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটাই সবশেষ, এরপর প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা বাংলাদেশ ম্যাচের মধ্য দিয়ে।

এদিকে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে কখনোই টি-টোয়েন্টি জেতা হয়নি বাংলাদেশের। একমাত্র সুখস্মৃতি ২০১৮’তে। সে টি-টোয়েন্টি সিরিজটাও অবশ্য আয়োজিত হয়েছিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

এই ফরম্যাটের ক্রিকেটে, দুই দলই নামতে যাচ্ছে লম্বা সময়ের পরে। ফেব্রুয়ারিতে ক্যারিবীয়রা শেষবার টি-টোয়েন্টি খেলেছিলো ভারতের বিপক্ষে। বাংলাদেশ খেলেছে মার্চে, ঘরের মাঠে আফগানদের বিপক্ষে।

শেষ ৫ ম্যাচে, দুই দলেরই জয় মোটে একটিতে। টাইগারদের তুলনায় নতুনত্বের ছাপ বেশি উইন্ডিজ স্কোয়াডে। অধিনায়ক নিকোলাস পুরান ছাড়া, যেখানে হাজার রান নেই আর কোন ব্যাটাররে।

উইন্ডসোর পার্কে মাইলফলক স্পর্শের সুযোগ সাকিব আল হাসানের সামনে। আর ৯২ রান করলেই, দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ঢুকে যাবেন ২ হাজারী রানের ক্লাবে। যেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১২ টি-টোয়েন্টি খেলা বাংলাদেশ, জয় পেয়েছে ৫ টিতে। ডোমিকায় আধিপত্য দেখাতে পারলে, সুযোগ রয়েছে সংখ্যার হিসাবটা সমানে সমান করার। ২ জুলাই রাত সাড়ে ১১ শুরু সিরিজের প্রথম ম্যাচটি।

এসএইচ-১৩/০১/২২ (স্পোর্টস ডেস্ক)

প্রতিবেশীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কলেজছাত্রের

প্রতিমা বিসর্জনের সময় প্রতিবেশীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে কুষ্টিয়ার গড়াই নদীতে ডুবে দীপ্ত বাগচী (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে শহরের মিলপাড়া শ্মশান সংলগ্ন গড়াই নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

দীপ্ত বাগচী শহরের মিলপাড়া দোস্ত মোহম্মদ লেন এলাকার অরুন বাগচীর ছেলে ও কুমারখালী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিলপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দিরে থাকা দুর্গা ঠাকুর প্রতিবছর তাজলক্ষ্মী ঘাট শ্মশান সংলগ্ন গড়াই নদীতে বিসর্জন করা হয়। এবারও ঠাকুর বিসর্জনে এলাকার কয়েকজন যুবক অংশ নেয়।

এসময় তাদের মধ্যে থাকা প্রতিবেশী অরিত্র নামে এক যুবক পানিতে ডুবে যাচ্ছিল। এমন সময় অরিত্রর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে দীপ্ত বাগচী নদীতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আশরাফুল ইসলাম জানান, দীপ্ত বাগচী নামে ওই কলেজছাত্রকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। তার মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) ছাবিরুল আলম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এসএইচ-১২/০১/২২ (আঞ্চলিক ডেস্ক)

মালদ্বীপ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

মালদ্বীপে বৈধ কাগজপত্রবিহীনভাবে অর্থাৎ অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন বাংলাদেশিদের জন্য বৈধকরণ প্রক্রিয়া চালু করেছে দেশটির সরকার।

এই সুযোগ গ্রহণে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রতি অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এ বিষয়ে দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রির আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু আছে।

যাদের বৈধ ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট নেই, তাদের দ্রুত ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে বৈধভাবে কাজ করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

বৈধকরণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রবাসীদের ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রিতে আবেদন করার পরামর্শও দেয়া হয়।

এসএইচ-১১/০১/২২ (প্রবাস ডেস্ক)

বাইডেনের ক্ষমতা সীমিত করলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

গ্রিনহাউজ গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করতে কিছু ক্ষমতা হারিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এতে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের জলবায়ু পরিকল্পনায়ও বড় ধাক্কা লেগেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে কার্বন নিঃসরণ কমাতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটির উচ্চ আদালত একটি যুগান্তকারী রায় দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের এ ঐতিহাসিক রুলের কারণে প্রেসিডেন্ট নিজেও কিছুটা ক্ষমতা হারিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশগত সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষমতা হারিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি রুল জারি করেছেন। এর খড়্গ পড়েছে বাইডেনের প্রশাসনেও।

জো বাইডেনের জলবায়ু পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এ রুলকে বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের জারি করা রুল ‘বিপর্যয়কর সিদ্ধান্ত’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জো বাইডেন বলেন, এ সিদ্ধান্তের কারণে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তার উদ্যোগে কোনো আঁচড় পড়বে না।

বিবিসির খবরে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সবগুলো অঙ্গরাজ্যে নির্গমন কমানোর এখতিয়ার ইপিএ’র নেই উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছিল ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া। রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্য ও বৃহত্তম মার্কিন কয়লা কোম্পানির হয়ে মামলাটি দায়ের হয়। সেটির ব্যাপারেই এ রুল দিলেন সুপ্রিম কোর্ট।

বিদ্যুৎ খাত নিয়ে শঙ্কায় থাকা ১৯টি অঙ্গরাজ্যের কর্তাব্যক্তিরা মনে করছিলেন, তাদের কয়লা ব্যবহার বন্ধ করতে বাধ্য করা হবে। এটি হলে ব্যাপক আর্থিক ব্যয়ের সম্ভাবনা ছিল।

রুলের আগে বিচারক প্যানেলের মধ্যে ৬ জন রক্ষণশীল ও জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানির পক্ষে রায় দেন। বিপক্ষে মত দেন তিন বিচারক। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় রায় রক্ষণশীল ও জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানির পক্ষে যায়।

সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য ভবিষ্যতে এমন বিধিনিষেধ জারি থেকে ইপিএকে বাধা দেয়নি। কিন্তু এ বিষয়ে কংগ্রেসকে স্পষ্টভাবে ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলেছেন।

এর আগে ইপিএ’র কার্বন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান করেছিল কংগ্রেস।

এসএইচ-১০/০১/২২ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক)

যে কারনে বিয়ে করেননি সুস্মিতা সেন

বলিউডে সবচেয়ে ‘ফিট অ্যান্ড হট’ নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম সুস্মিতা সেন। প্রায়ই তার বিভিন্ন ওয়ার্ক আউট ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পাওয়া যায়। ১৯৯৪ সালে প্রথম বাঙালি মিস ইউনিভার্স হয়ে মডেলিং জগতে পা রাখেন। ১৯৯৬ সালে ‘দস্তক’ ছবির হাত ধরে বলিউডে পা রাখেন।

এরপর একের পর এক হিট ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। ‘বিবি নাম্বর ওয়ান’, ‘ডু নট ডিস্টার্ব’, ‘ম্যায় হু না’, ‘ম্যায়নে পেয়ার কিউ কিয়া’, ‘তুমকো না ভুলা পায়েঙ্গে’, ‘নো প্রব্লেম’ মতো সফল ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। বর্তমানে ‘আরিয়া’ সিরিজে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাচ্ছে ওটিটি প্লাটফর্মে।

টুইঙ্কেল খান্না পরিচালিত ‘টুইক ইন্ডিয়া’ এর ‘দ্য আইকন শো’-তে অতিথি হিসাবে আসেন সুস্মিতা সেন। আর সেখানেই নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলাখুলি অনেক কথা বলেছেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কেন এখনও বিয়ে করেননি? উত্তর সুস্মিতা জানান, তিনি মনে করেন তিনি এর জন্য সৌভাগ্যশালী। কারণ তিন তিনবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কিন্তু ঈশ্বর তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।

সুস্মিতা সেন বিয়ে না করলেও তিনি দুই কন্যাসন্তানের মা। তার বড় মেয়ের নাম রিনি সেন। আর ছোট কন্যার নাম আলিশা সেন। তার কাছে তার এই দুই সন্তানই সব। তার বিয়ে না করার কারণ কখনওই সন্তানরা নয় বরং তিনি বলেন, সেই ছেলেগুলোই ছিল হতাশাজনক। তার দুই সন্তানই তার জীবনের সকল কিছুকে খুব সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছেন।

মডেল বন্ধু রহমান শাওয়ালের সঙ্গে ২০১৮ সালে সম্পর্কে জড়ান সুস্মিতা। মাত্র চার বছরের মধ্যেই সম্পর্কে ছেদ। গত বছর ডিসেম্বর মাসে তিনি ইনস্টাগ্রামে পোস্টে নিজেই নিজেদের বিচ্ছেদের কথা জানান। যদিও সেই বিচ্ছেদের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।

এসএইচ-০৯/০১/২২ (বিনোদন ডেস্ক)

আবারও মৃত্যুদণ্ড ফেরাতে চান এরদোগান

আবার দেশের বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ড ফেরানোর ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

এরদোগান জানিয়েছেন, পার্লামেন্ট তার কাছে মৃত্যুদণ্ড পুনঃস্থাপনের বিল পাঠালে তাতে তিনি অনুমোদন দেবেন।

এরদোগানের আইনমন্ত্রী বলেছেন, ২০০৪ সালে বাতিল করা মৃত্যুদণ্ড আবারও ফেরানোর কথা চিন্তা করছে তুরস্কের সরকার।

জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ, ধর্ষণ ও নারী হত্যার ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ফেরত আনা হবে।

এরদোগান বলেছেন, ‘প্রয়োজনে আবার সেই বিধান ফেরত আনা হবে এবং এ নিয়ে সংসদে বিতর্ক হবে। আমাদের সবার এই বিতর্কে আসা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমাদের বিচার মন্ত্রণালয়ের চেষ্টায় পার্লামেন্ট যদি এই সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আমি এই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেব।’

এসএইচ-০৮/০১/২২ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক)

জুনে সড়কে নিহত ১০৪৭

চলতি বছরের জুন মাসে ৩ হাজার ১১০ সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৪৭ জন নিহত ও ২ হাজার ৬২২ জন্য আহত হয়েছেন। জাতীয় মহাসড়ক, আন্তঃজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘সেভ দ্য রোড’। ২১টি গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত দুর্ঘটনার খবরের ভিত্তিতে এ জরিপ করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর জুন মাসে ৮৫৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৭৫২ জন আহত এবং ২৭৬ জন নিহত হয়েছেন। ৬১৮টি ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত ৪৫৬ ও নিহত হয়েছেন ১৫৬ জন। ৯৩৮টি বাস দুর্ঘটনায় আহত ৭৫১ ও নিহত ৪২০ জন। এ ছাড়া পাড়া-মহল্লায়, মহাসড়কে অসাবধানতার কারণে লরি, পিকআপ ভ্যান, নসিমন, করিমন, ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত ও রিকশা-সাইকেলে ৬৯৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ১৯৫ ও আহত হয়েছেন ৬৬৩ জন।

এ ছাড়া জুন মাসে নৌপথে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১২২টি। এতে আহত ৪৭৭ জন ও নিহত ২৪ জন। রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৯৭টি। এতে আহত ১৭২ জন ও নিহত ১৭ জন। তবে আকাশপথে দুর্ঘটনা না হলেও বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনার কারণে বিভিন্ন সময় ৭৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানানো হয়।

মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দ্রুতগতিতে চালানো, ট্রাফিক নিয়ম না মানা, হেলমেট ব্যবহারে অনীহা দুর্ঘটনার কারণ। অপরদিকে, অসাবধানতা ও ঘুম চোখে ক্লান্তিসহ দ্রুত চালানোর কারণে ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাসে যেসব দুর্ঘটনা ঘটেছে এর পেছনের কারণ রাস্তার খানাখন্দ, অচল রাস্তাঘাট ও সড়কপথে নৈরাজ্য।

যাত্রাপথ দুর্ঘটনামুক্ত করতে সেভ দ্য রোডের পক্ষ থেক সাত দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: বঙ্গবন্ধু ফুটবল লীগের খেলা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সড়কপথে দুর্ঘটনায় নিহত অর্ধশত শিশু-কিশোরের স্মরণে ১১ জুলাইকে ‘দুর্ঘটনামুক্ত পথ দিবস’ ঘোষণা করতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করে যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা দিতে হবে। সড়কপথে ধর্ষণ-হয়রানি রোধে ফিটনেসবিহীন বাহন নিষিদ্ধ এবং কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যতীত চালক-সহযোগী নিয়োগ বন্ধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্থল, নৌ, বিমান ও রেলপথ দুর্ঘটনায় নিহতদের সরকারিভাবে কমপক্ষে ১০ লাখ ও আহতদের ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স রুল’ বাস্তবায়নের পাশাপাশি সত্যিকারের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ‘ট্রান্সপোর্ট পুলিশ ব্যাটালিয়ন’ বাস্তবায়ন করতে হবে। পথদুর্ঘটনার তদন্ত ও সাজা ত্বরান্বিতকরণের মধ্য দিয়ে সতর্কতা তৈরি করতে হবে এবং ট্রান্সপোর্ট পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের আগপর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা-সহমর্মিতা-সচেতনতার পাশাপাশি সব পথের চালক-শ্রমিক ও যাত্রীদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। স্পিড গান, সিসিটিভি ক্যামেরা, ইউলুপ বৃদ্ধি, পথ-সেতুসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সেভ দ্য রোডের চেয়ারম্যান ও সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনামের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতা ওসমান আলী, সংবাদযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান। সেভ দ্য রোডের প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায়, শওকত হোসেন, জিয়াউর রহমান জিয়া, আইয়ুব রানা, সাংবাদিক আনজুমান আরা শিল্পী, ওয়াজেদ রানা, কায়েস সাজবসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এসএইচ-০৭/০১/২২ (ন্যাশনাল ডেস্ক)