উপজেলা নির্বাচনেও আ’ লীগে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৯ আপডেটঃ ১২:৪১ অপরাহ্ন

প্রথম ধাপে ৮৬টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনটি পদে মোট ১০৮৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ২৮৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৪৮৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১৫ জন প্রার্থী হয়েছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ৮৬ জন আওয়ামী লীগের মনোনীত। তবে এই পদে প্রায় সব স্থানেই কমপক্ষে দু’জন করে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী আছে। এছাড়া জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দল থেকেও প্রার্থী হয়েছেন।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও কোনো কোনো উপজেলায় তাদের স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। সোমবার দেশের চার বিভাগে ১২টি জেলার ৮৬টি উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল। শান্তিপূর্ণভাবেই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন প্রার্থীরা।

এদিকে প্রার্থী না থাকায় চারটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন দলের চারজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। তারা হলেন- জামালপুরের সরিষাবাড়িতে গিয়াসউদ্দিন পাঠান, মেলান্দহে ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, মাদারগঞ্জে ওবায়দুর রহমান বেলাল ও জয়পুরহাট সদরে এসএম সোলায়মান আলী।

দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠেয় স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট অংশ নেয়নি। জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার কথা জানিয়েছে। আর আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কিন্তু ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রার্থীকে মনোনয়ন না দিয়ে তা উন্মুক্ত রেখেছে।

ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৮৭টি উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি। উচ্চ আদালতের রায়ে সোমবার রাজশাহীর পবা উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এ কারণে প্রথম ধাপে ৮৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এসব উপজেলায় আজ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত রয়েছে।

এরপর দিন ২০ ফেব্রুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার। আগামী ১০ মার্চ এ ৮৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তারা জানান, মার্চ মাসে চার ধাপে উপজেলা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্যন্ত দুটি ধাপের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রতিটি এলাকায় একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিতে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে ইসি। সোমবার এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও আচরণবিধি প্রতিপালনে তদারকি করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে হবে।

আরও জানা গেছে, এবারই প্রথম ধাপে ধাপে দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে সর্বশেষ ২০১৪ সালে ধাপে ধাপে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সময়ে নির্দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলেও রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু এবার দলীয় প্রতীকে ভোট হচ্ছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায়। এখানে সর্বোচ্চ ৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। অপরদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজের উপজেলায় ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা নিয়ে রাজশাহী-১ সংসদীয় আসন। এ আসনের এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। এ দুই উপজেলাতেই এমপির ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এরা হলেন- গোদাগাড়ীতে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং তানোরেও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফল হায়দার রশিদ ময়না। দলের মনোনয়নের বাইরে বিদ্রোহী হিসেবে এ আসনে নির্বাচন করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান বদি। বদি বলেন, আমি দীর্ঘ সময় থেকে দল করছি। দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। তাদের দাবি, আমি নির্বাচন করি। এ কারণেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। তাছাড়া গোদাগাড়ী উপজেলার সব এলাকাতেই আমার সমর্থক রয়েছে। বিশ্বাস করি, আমি বিজয়ী হব।

সিলেট বিভাগ

হবিগঞ্জ : জেলার ৮ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। সব উপজেলায়ই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ না নিলেও কয়েকটি উপজেলায় বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমদুল হক (স্বতন্ত্র), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম (বিদ্রোহী)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাহবুবুর রহমান আওয়াল, অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ ফারুক, প্রফেসর আবিদুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফৌরদৌসি আরা বেগম ও নূরুন্নাহার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

লাখাই : চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিউল আলম আজাদ (আওয়ামী লীগ), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাহফুজুল আলম মাহফুজ ও রফিক আহমেদ। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুর্শেদ কামাল চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম আলম, আশরাফুল ইসলাম শের আলম মনোনয়ন দাখিল করেছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফয়েজুন্নেছা আক্তার, আলেয়া বেগম, আয়েশা সিদ্দীকা মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

চুনারুঘাট : চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল কাদির লস্কর (আওয়ামী লীগ), বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের (বিদ্রোহী), উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান (স্বতন্ত্র), খেলাফত মজলিশ নেতা প্রভাষক আবদুল করিম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান মহলদার (স্বতন্ত্র), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি জামাল হোসেন লিটন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবিদা খাতুন, বিএনপি সমর্থক কাজী সাফিয়া খাতুন।

বাহুবল : চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই (আওয়ামী লীগ), জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবদুল কাদির চৌধুরী (বিদ্রোহী), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লন্ডনপ্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা নাছিরুজ্জামান (বিদ্রোহী), সৈয়দ খলিলুর রহমান (স্বতন্ত্র)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে যুবলীগ আহ্বায়ক তারা মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ কুটি, আওয়ামী লীগ সমর্থক শশাংক দত্ত, শফিকুল ইসলাম, নিহার রঞ্জন দেব, খন্দকার ইদ্রিছ, ইয়াকুত মিয়া এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ফারুকুর রশিদ ফারুক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিএনপি সমর্থক বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা খানম, আওয়ামী লীগ সমর্থক জ্যোৎস্না আক্তার, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন।

নবীগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, বিএনপি সমর্থক আবদুল হাই চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাদী গাজীর স্ত্রী গাজী খালেদা সারোয়ার, জাপা নেতা হায়দর মিয়া। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মুকিত, পৌর জাপা সাধারণ সম্পাদক মুরাদ আহমদ। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেত্রী সইফা রহমান কাকলী ও দিলারা হোসেন, নাজমা আক্তার (স্বতন্ত্র)।

আজমিরীগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন- জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মর্তুজা হাসান (আওয়ামী লীগ), আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন (বিদ্রোহী), উপজেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক খালেদুর রশিদ ঝলক (স্বতন্ত্র) ও মিয়া হোসেন (স্বতন্ত্র)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক মনিরুজ্জামান মনু, অসীম চৌধুরী সাগর, হিরেন্দ্র পুরকায়স্থ, নাজমুল হাসান, আবদুল জলিল, মমিনুর রহমান সজীব, স্বতন্ত্র রথীন্দ্র দাশ, জামায়াত সমর্থক আবদুল হাই। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুখসানা আক্তার শিখা, আওয়ামী লীগ নেত্রী সুজলা আক্তার, স্বতন্ত্র মাহমুদা আক্তার ও আলেমা খাতুন।

বানিয়াচং : চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আবুল কাশেম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), ইকবাল হোসেন খান (বিদ্রোহী) ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন (স্বতন্ত্র)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্মৃতি চ্যাটার্জি কাজল, আশরাফ বাবু, ইকবাল বাহার খান, আবিদুর রহমান ও ফারুক আমিন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তানিয়া খানম (স্বতন্ত্র), বিউটি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক হাসিনা আক্তার ও ফেরদৌসী বেগম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মাধবপুর : চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক (আওয়ামী লীগ), আওয়ামী লীগ নেতা এহতেশামুল বার চৌধুরী লিপু (বিদ্রোহী), জেলা বিএনপির সহসভাপতি এসএসএএম শাহজাহান (স্বতন্ত্র)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুজিব উদ্দিন তালুকদার, সৃধাম দাশগুপ্ত, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল আজিজ (স্বতন্ত্র), বাবুল হোসেন খান (স্বতন্ত্র)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাজমা পাঠান (স্বতন্ত্র), মরিয়ম রহমান বাবুনী (স্বতন্ত্র), অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেন, মোছা. রোকেয়া আক্তার ও জাহানারা বেগম মনোনয়নপত্র জামা দিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ : জেলার ১০ উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্রের ব্যানারে বিএনপি প্রার্থীসহ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৩৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১টি উপজেলা ছাড়া অপর ৯টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪৪ জন।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ মোট চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগের খায়রুল হুদা চপল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ বখত নজরুল ও যুবলীগের সাবেক নেতা অ্যাডভোকেট মনীষ কান্তি দে মিন্টু। এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন।

বিশ্বম্ভরপুর : উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম তালুকদার, বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. হারনুর রশিদ, জেলা যুবলীগের সদস্য ছফির উদ্দিন এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন ইমন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ : আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম, বিএনপির ফারুক আহমদ, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনছার উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল আলম নিক্কু, যুবলীগের অ্যাডভোকেট বুরহান উদ্দিন দোলন।

দোয়ারাবাজার : আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুর রহিম, ফরিদ আহমদ তারেক (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), দেওয়ান তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু (বিদ্রোহী), দেওয়ান আবুল হোসেন মাহমুদ রাজা চৌধুরী, বিএনপি নেতা শাহজাহান মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ এবং সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জাপা নেতা রেনু মিয়া। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন।

ছাতক : চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। তারা হচ্ছেন- আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান, অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), আওলাদ আলী রেজা (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন।

জামালগঞ্জ : আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ আল আজাদ, রেজাউল করিম শামীম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মু. আবদুর রশিদ। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭ জন।

তাহিরপুর : চেয়ারম্যান পদে বিএনপি থেকে ৩ জনসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হচ্ছেন- জেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হক. বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুনাব আলী। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

দিরাই : আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রদীপ রায়, আলতাব উদ্দিন (বিদ্রোহী), মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী (বিদ্রোহী) ও সভাপতি রঞ্জন রায় (বিদ্রোহী)। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন।

শাল্লা : আওয়ামী লীগের প্রার্থী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ (আল-আমিন চৌধুরী), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ধর্মপাশা উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শামীম আহমদ মুরাদ, বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ বিলকিস ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাই ও আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল হোসেন রোখন। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রংপুর বিভাগ

পঞ্চগড় : জেলার ৫ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ১৬ জন, বিএনপির ৫ জন এবং জাতীয় পার্টির ১ এবং স্বতন্ত্র ১ জন প্রার্থী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

পঞ্চগড় সদর : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম, পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু দাউদ প্রধান এবং স্বতন্ত্র অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ সমর্থক হুমায়ুন কবির প্রধান, কাজী আল তারিক, লুৎফর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, আমিনুল ইসলাম। এ উপজেলায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরা হলেন- জামায়াত সমর্থক কাজল রেখা, বিএনপি নেত্রী কামরুন্নাহার শাহীন, যুব মহিলা লীগের নীলুফার ইয়াসমিন।

বোদা : চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আলম টবি, সায়েদ জাহাঙ্গীর হাসান সবুজ (স্বতন্ত্র), আবদুল জব্বার (স্বতন্ত্র), মো. আজাহার আলী (স্বতন্ত্র) ও অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন (স্বতন্ত্র)। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরা হলেন- মকলেছার রহমান জিল্লুর, মফিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম প্রধান, আবু ইউনুস মো. লেলিন, আমজাদ হোসেন বাবলা, আসাদুল্লাহ আসাদ, দেব নারায়ণ রায়। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন লক্ষ্মী রানী রায়, জেবুন্নাহার মুক্তা, ফেরদৌসি বেগম লাভলী ও লাইলী বেগম।

আটোয়ারী : চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন আটোয়ারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান (স্বতন্ত্র)। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি নেতা ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. মখলেছুর রহমান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান গোলাপ, সেলিম মোর্শেদ মানিক, গণেশ চন্দ্র ঘোষ ও অ্যাডভোকেট পলাশ কুমার রায়। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন রেনু একরাম, সিদ্দিকা বেগম, হাফিজা বেগম, মির্জা ফারহানা ফেরদৌসী ও মনোয়ারা বেগম।

তেঁতুলিয়া : চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুর রহমান ডব্লিউ, ফরিদা আখতার হীরা (স্বতন্ত্র), বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তারুল হক মুকু ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হায়দার আলী। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল লতিফ খান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ আলী, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম মোল্লা ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু সালেহ ইব্রাহিম। এ উপজেলায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন সুলতানা রাজিয়া, মিনা বেগম, অ্যাডভোকেট রওশনারা বেগম ও সোমা চৌধুরী।

লালমনিরহাট : জেলার ৫ উপজেলার একটি বাদে বাকিগুলোতে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। লালমনিরহাট সদরে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১ জন, আদিতমারীতে ১ একজন, কালীগঞ্জে ২ জন, হাতীবান্ধায় ৫ জন। আর পুরুষ-মহিলা পদ মিলে লালমনিরহাট সদরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, আদিতমারীতে ১২ জন, কালীগঞ্জে ১০ জন, হাতীবান্ধায় ১৩ জন ও পাটগ্রামে ৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

লালমনিরহাট সদর : চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী নজরুল হক পাটোয়ারী ভোলা, কামরুজ্জামান সুজন (বিদ্রোহী)। জাতীয় পার্টি থেকে জাহিদ হাসান ডাবলু, এখানে ভাইস চেয়ারম্যান পদে পুরুষ ২ জন ও মহিলা ২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

আদিতমারী : চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী রফিকুল আলম, ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শওকত আলীর ভাতিজা ইমরুল কায়েস ফারুক (বিদ্রোহী)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে পুরুষ ৬ জন ও মহিলা ৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

কালীগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আ’লীগ মনোনীত মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু (আ’লীগ বিদ্রোহী) ও জেলা আ’লীগের সহসভাপতি তাহের তাহু (আ’লীগ বিদ্রোহী)। এ ছাড়াও জাতীয় পার্টি থেকে নাহিদ হোসেন ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের (ইশা) আশরাফ আলী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে পুরুষ ৭ জন ও মহিলা ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

হাতীবান্ধা : আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা সব থেকে বেশি। এখানে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান ভেলু, জেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক সরওয়ার হায়াত খান, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন রন্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান মামুন ও সদ্য আ’লীগে যোগদানকারী এমজি মোস্তফা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এখানে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক মাকতুবা ওয়াসীম বেলীসহ ৪ জন, পুরুষ ৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পাটগ্রাম : চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন বাবুল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এখানে আ’লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলেও স্বতন্ত্র হিসেবে একসময় আ’লীগ থেকে বহিষ্কৃত ওয়াজেদুল ইসলাম শাহীন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এতে ভাইস চেয়ারম্যান পদে পুরুষ ৪ জন ও এক বিএনপি নেত্রীসহ মহিলা ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

নীলফামারী : ডিমলা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম (আ’লীগ), সাবেক চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন মিন্টু (জাপা), অবসরপ্রাপ্ত কর কমিশনার ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল রহমান (ন্যাপ) ও ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে সোহেল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিরেন্দ্র নাথ নিরু (আ’লীগ), আমজাদ হোসেন সরকার (আ’লীগ), মোফাক্কারুল ইসলাম পেলব (ন্যাপ) ও সুজয় চন্দ্র রায় (স্বতন্ত্র) পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সিদ্দিকা, জাহানারা বেগম (আ’লীগ)ও তাজলী খাতুন (ন্যাপ) মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

জলঢাকা : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দু’জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন- দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী আনছার আলী মিন্টু। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ বাহাদুর। ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দু’জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন- উপজেলা জাসদ সভাপতি গোলাম পাশা এলিচ, জাতীয় পার্টি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মমিনুল ইসলাম মঞ্জু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু, জাতীয় শ্রমিক লীগ জলঢাকা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর রহমান। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে জামায়াত সমর্থিত বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান রিভা আমজাদ ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম।

কিশোরগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীরা হলেন- আ’লীগের জাকির হোসেন বাবুল, জাপার রশিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ মো. আবুল কালাম বারি পাইলট, আ ন ম রুহুল ইসলাম, রশিদুল ইসলাম রশিদ ও বিপ্লব কুমার সরকার বিপু। ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ পদে রবিউল ইসলাম বাবু, বাদশা আলমঙ্গীর, বরকত-ই-খোদা মুকুল, মাওলানা ইদ্রিস আলী, হাফিজুল ইসলাম ও স্বপন চন্দ্র রায়। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বেগম লাইলী কাদের, শিরিনা বেগম, রোখছেনা পারভীন, মোকলেজা বেগম, শাপলা বেগম ও নাছিমা বেগম মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

কুড়িগ্রাম : জেলার ৯ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩২ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৩ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এতে ১০৮ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এবারে অধিকাংশ উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়াও বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছিল হাতে গোনা।

সদর : চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। মনোনয়ন না পেয়ে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুড়িগ্রাম পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুল হাসান দুলাল। এ ছাড়াও সদর আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জাকের পার্টির মশিউর রহমান। ভুরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যান পদে ২ জন এবং পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৪ জন ও মহিলা ৩ জন। নাগেশ্বরীতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৪ জন ও মহিলা ৩ জন। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন গোলাম রসুল রাজা। ফুলবাড়ীতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন ও মহিলা ৪ জন। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান শেখ। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম রব্বানী সরকার। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা কমিটির সভাপতি মইনুল হক।

রাজারহাট : চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন ও মহিলা ৪ জন। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু নুর মো. আক্তারুজ্জামান। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও চাকিরপশার ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ সরওয়ার্দ্দী বাপ্পী ও তার স্ত্রী রানু বেগম। উলিপুরে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারমান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। চিলমারীতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ২ জন ও মহিলা ৩ জন। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত আলী সরকার বীরবিক্রম। মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জাতীয় পার্টি সমর্থক জোবাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জেলিনা বেগম।

সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে রাজীবপুর উপজেলায়। এখানে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

রৌমারী : চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী : গোদাগাড়ীতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী বদিউজ্জামান বদি, বিএনপির স্বতন্ত্র। তানোরে চেয়ারম্যান পদে লুৎফল হায়দার রশিদ ময়না, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়ে ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে শরিফুল ইসলাম ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী। মোহনপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের আবদুস সালাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আফজাল হোসেন বকুল, বিএনপির স্বতন্ত্র অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন। বাগমারায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের অনিল কুমার সরকার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী বাবুল হোসেন। দুর্গাপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবদুল মজিদ সরদার ও আবদুল কাদের মণ্ডল।

পুঠিয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের জিএম হীরা বাচ্চু। চারঘাটে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ফখরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী টিপু সুলতান। বাঘায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের লায়েব উদ্দিন লাভলু, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেরাজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র বিএনপির আবদুল্লাহ আল মামুন।

নাটোর : বড়াইগ্রামে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রফিকুল বারী রফিক, আতাউর রহমান আতা ও রেজাউল করিম ভুট্টু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুরাইয়া কলি ও নার্গিস বেগম। বাগাতিপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সেকেন্দার রহমান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অহিদুল ইসলাম গকুল ও স্বতন্ত্র আনিসুর রহমান। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মেহেদী হাসান দোলন, আমানুল্লাহ সরকার, কাজী আমানুর রহমান ও আবদুল হাদী। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জোসনা বেগম, শাহিদা হক মিতা, লুৎফুন্নাহার লতা ও খোদেজা বেগম শাপলা। নাটোর সদরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের শরিফুল ইসলাম রমজান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোস্তারুল ইসলাম আলম, স্বতন্ত্র বিএনপির মো. গোলাম সারোয়ার। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয়জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন। সিংড়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম শফিক, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী গোলাম কবির, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আদেশ আলী, ওয়ার্কার্স পার্টির মিজানুর রহমান মিজান, জাকের পার্টির মাহফুজুর রহমান। ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দু’জন।

লালপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. ইসাহাক আলী ও জাসদের (ইনু) মো. আবদুল হালিম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দু’জন। গুরুদাসপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের জাহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনোয়ার হোসেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাত ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন।

সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের রিয়াজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম মণ্ডল ও আবদুর রাজ্জাক। ভাইস চেয়ারম্যান জিহাদ আল ইসলাম, নাসিম রেজা নূর দীপু ও আবদুস ছাত্তার। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাসনা হেনা, নূরুন্নাহার ও নূরে ফাতেমা। তাড়াশে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান মনি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মীর মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ। ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, আবদুল খালেক পিয়াস, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, এস আলম, শাহিনুর আলম লাবু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোয়ারা খাতুন মিনি, মর্জিনা খাতুন ও মাহফুজা আক্তার। রায়গঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ইমরুল হোসেন তালুকদার ইমন ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. শোভন সরকার।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে রেজাউল করীম বাচ্চু, ফারুক আহমেদ সরকার লিখন, আবদুর রউফ সরকার বকুল, লোকমান হাকিম, জাহিদুল ইসলাম মাইকেল। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পরী খাতুন, লীনা হক লুৎফা ও নিষ্কৃতি দাস।

শাহজাদপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের আজাদ রহমান ও জাসদের শফিকুজ্জামান শফি। ভাইস চেয়ারম্যান পদে লিয়াকত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে এলিজা খান, চৌহালীতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ফারুক হোসেন, স্বতন্ত্র বিএনপির মেজর (অব.) আবদুল্লাহ আল মামুন ও স্বতন্ত্র বিএনপির মাহফুজা খাতুন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে কামরুল হায়দার, মোল্লা বাবুল আক্তার, রেজাউল করিম, হুমায়ুন কবীর, মাসুদ রানা, শহিদুল ইসলাম তালুকদার, সাইফুল ইসলাম ও আবদুর রউফ সিরাজী। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাসরিন আক্তার ও রাফেজা খাতুন। বেলকুচিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মোহাম্মাদ আলী আকন্দ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নুরুল ইসলাম সাজেদুল। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মীর সেরাজুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র আনোয়ার হোসেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইউসুফ আলী শেখ, ফারুক সরকার, পিয়ার হোসেন, আবদুর রাজ্জাক সরকার, আতাউর রহমান ও আলহাজ আলী। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সুলতানা রাজিয়া মিলন, নার্গিছ খাতুন, রত্না হান্নান ও নার্গিস বেগম ঊষা।

উল্লাপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. শফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইদ্রিস আলী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোজাম্মেল হক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. মনিরুজ্জামান। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রিবলী ইসলাম কবিতা ও সুমাইয়া পারভীন।

কাজীপুর চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান সিরাজী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবুল কালাম আজাদ। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাইফুল ইসলাম বেল্লাল, শওকত হোসেন, সেলিম উদ্দিন, দ্বীন মোহাম্মদ বাবলু, সাইদুল ইসলাম, আল আমিন সরকার, নজরুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সুলতানা হক, সাবিহা সুলতানা, শাফলা খাতুন, বিলকিস খাতুন, রেহেনা পারভীন ও শিউলি খাতুন।

জয়পুরহাট : জেলার সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের এসএম সোলায়মান আলী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আর কোনো প্রার্থী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয় ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দু’জন। পাঁচবিবিতে আওয়ামী লীগের মুনিরুল শহীদ মণ্ডল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন ও স্বতন্ত্র রাণী রাবেয়া আসরী। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয় ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দু’জন। কালাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মিনফুজুর রহমান মিলন, জাসদের তারেকুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র জহুরুল ইসলাম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন।

ক্ষেতলালে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মোস্তাকিম মণ্ডল ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তাইফুল ইসলাম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয় ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন। আক্কেলপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মোকছেদ আলী মণ্ডল, জাসদের আবু খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন ও স্বতন্ত্র আবদুস সালাম আকন্দ। ভাইস চেয়ারম্যান পাঁচ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন।

ময়মনসিংহ বিভাগ

নেত্রকোনা : নেত্রকোনা সদরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আতাউর রহমান মানিক। খালিয়াজুরীতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের গোলাম কিবরিয়া জব্বার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শামসুজ্জামান শোয়েব। কলমাকান্দায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের আবদুল খালেক তালুকদার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফজলুল হক।

মোহনগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের শহীদ ইকবাল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মজিবুর রহমান কাঁচা মিয়া, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইজাজুল হক রয়েল। ভাইস চেয়ারম্যান পদে দিলীপ দত্ত, মো. ওয়াজ উদ্দিন, আবুল খায়ের তালুকদার মিলন, ওমর ফারুক, কাজল তালুকদার, রুহুল আমীন নগরী। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কামরুন্নাহার বুলবুল, মোছা. শান্তা, রুনা আক্তার ও নাছিমা আক্তার লিপি। কেন্দুয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কামরুল হাসান ভূঁঞা। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া, আশরাফ উদ্দিন ভূইয়া, মামুনুল কবীর খান, মজিবুর রহমান ও রেজাউল করিম ভূইয়া। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাহানারা রোজী, মিনা আক্তার ও সেলিনা বেগম সুমী। মদনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সাইদুর রহমান ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইফতেখারুল আলম খান চৌধুরী। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. হাদিউল ইসলাম কাজল, শহিদুল ইসলাম, তোফায়েল আহমেদ, সাজেদুল করিম সাজু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাসরিন আক্তার, ফরিদা ইয়াসমিন, রিমা আক্তার হেপি, কল্পনা আক্তার, ঝরনা আক্তার। বারহাট্টায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ গোলাম রসুল তালুকদার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী খাইরুল কবির খোকন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাঈনুল হক কাসেম। পূর্বধলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের জাহেদুল ইসলাম সুজন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফয়েজুর সিরাজ জুয়েল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এরশাদ হোসেন মালু, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাসুদ আলম টিপু, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. লিটন মিয়া, স্বতন্ত্র বিএনপি সঈদুর রহমান তালুকদার, স্বতন্ত্র জাতীয় পার্টি ওয়হিদ্দুজ্জামান আজাদ।

জামালপুর : জামালপুর সদরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আবুল হোসেন ও জাতীয় পার্টির কাজী নজরুল ইসলাম। বকশীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একেএম সাইফুল ইসলাম, স্বতন্ত্র বিএনপির আবদুর রউফ তালুকদার ও স্বতন্ত্র আরিফুর রহমান পাভেল। ভাইস চেয়ারম্যান পদে এসএম আবু সায়েম, আবদুল আলিম তারা, জাহিদুল ইসলাম জুমান তালুকদার, আনিছুজ্জামান হেবলু, জিয়াউল হক, জয়নাল আবেদিন, মোজাহারুল ইসলাম ভিমল ও আবদুল্লাহ আল সাফি লিপন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাহমিনা আক্তার পাখি, মাছুমা আক্তার স্মৃতি ও জহুরা বেগম। দেওয়ানগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. আবুল কালাম আজাদ ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সোলায়মান হক সোলে। মেলান্দহে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান। মাদারগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. ওবায়দুর রহমান বেলাল। সরিষাবাড়ীতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন পাঠান। ইসলামপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের এসএম জামাল আবদুন নাছের, জাতীয় পার্টির মশিউর রহমান বাদল ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জিয়াউল হক জিয়া।

এসএইচ-০৪/১২/১৯ (অনলাইন ডেস্ক)